


উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় বিদ্যমান জ¦ালানি সংকটে এ অঞ্চলে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের নিরবিচ্ছিন্ন জ¦ালানি সরবরাহ প্রক্রিয়া সরেজমিন পরিদর্শনে করলেন (বিপিসি)’র আওতাধীন পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানীর তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তারা হলেন, পদ্মা অয়েল কোম্পানীর মফিজুর রহমান, মেঘনা অয়েল এর প্রকৌশলী মো: শাহীরুল হাসান ও যমুনা অয়েল কোম্পানীর আমির মাসুদ প্রমুখ।
বুধবার দুপুরে অয়েল ডিপো পরিদর্শনকালে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোয় কর্মরত তিন কোম্পানীর ব্যবস্থাপক সমির কুমার পাল, কাজী রবিউল আলম, জীবন চন্দ্র ভোমিক, দিনাজপুর পেট্রোল পাম্প মালিক গ্রুপের সাধারন সম্পাদক মো: রজব আলী, রংপুর বিভাগীয় ট্যাংলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আতাউর রহমান আতু ও সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এসময় চাহিদার তুলনায় অপর্যাপ্ত জ¦ালানি সরবরাহ ও বিতরণে সৃষ্ট জটিলতা নিয়ে দিনাজপুর পেট্রোল পাম্প মালিক গ্রুপের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় ফুলবাড়ী-মিঠাপুকুর-রংপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের নবাবগঞ্জ এলাকার ভাগলপুরে অবস্থিত নিশা-২ ফিলিং স্টেশনের মালিক শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, গত ২ এপ্রিল পদ্মা কোম্পানীর অধিন তার ফিলিং স্টেশনে মাত্র ২ হাজার পেট্রোল ও ৩ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়। বিগত দুই সপ্তাহ ধরে আর এক ফোঁটা কোন জ¦ালানি তেলের সরবরাহ না পাওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এতে এলাকার গ্রাহকরা তার বিরুদ্ধে জ¦ালানি তেল উত্তোলন করে গোপনে অন্যত্র বিক্রির গুজব ছড়াচ্ছেন।
এমনতা অবস্থায় তিনি জ¦ালানি তেলের সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য দিনাজপুর জেলা প্রশাসক, পদ্মা অয়েল কোম্পানীর ডিষ্ট্রিক মার্কেটিং অফিসার শহিদুল কবির কে জানানোর পর তেল পাচ্ছি না বলে পরিদর্শক দলের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। তাঁরা তার সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিলেও কবে থেকে তেল সরবরাহ পাবেন তা নিশ্চিত করেননি।
এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে পদ্মা অয়েল কোম্পানীর ডিষ্ট্রিক মার্কেটিং অফিসার শহিদুল কবির বলেন, আমি একজন কর্মচারী, কোম্পানীর উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ ও সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে আমার করার কিছু নেই।