


২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের ছোট ভাই আরফান হোসেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) চাকরি পেয়েছেন।
তবে আজকের দিনটি তাদের কাছে অনেক বেদনার ভেতরেও কিছুটা খুশি নিয়ে এসেছে।ফেলানীর ভাই আরফান হোসেন বলেন, আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল দেশের জন্য কাজ করা। ফেলানী হত্যার পর সারা দেশের মানুষ যে প্রতিবাদ জানিয়েছিল, তখন থেকেই আমাদের ইচ্ছা ছিল বিজিবিতে চাকরি করবে। আজ সেই স্বপ্ন পূর্ণ হলো। আমি দেশের মানুষের জন্য কাজ করব।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের (১৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, বিজিবি সব সময় ফেলানীর পরিবারের পাশে ছিল। ফেলানীর ছোট ভাই নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তিনি আগামীকাল শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দেবেন। আমরা বিশ্বাস করি প্রশিক্ষণ শেষে তিনি একজন দক্ষ বিজিবি সদস্য হিসেবে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।
ফেলানী হত্যার মতো নৃশংস ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে বিষয়ে বিজিবি সীমান্তে সব সময় সতর্ক ও সচেষ্ট রয়েছে বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।