


রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিএনপির জনপ্রিয় নেতা মোকাররম হোসেন সুজন দলীয় শৃঙ্খলা উপেক্ষা করে সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় বিজয়ী হলেও দল ( বিএনপি) তাঁকে সব পদ পদবি থেকে বহিষ্কার করে। গতকাল শুক্রবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় সিদ্ধান্তে পূর্বের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে মোকাররম হোসেন সুজনকে পুনরায় বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আনন্দে ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় গঙ্গাচড়া উপজেলা যুবদল ও সদর ইউনিয়ন বিএনপির ডাকে পৃথক দুটি আনন্দ মিছিলে সকল অঙ্গ সংগঠন ও মূল দলের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে উপজেলা বিএনপি পার্টি অফিস থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পার্টি অফিসে ফিরে আসে।আনন্দ মিছিলে উপস্থিতদের মধ্যে উপজেলা যুবদল সভাপতি সাজু আহমেদ স্বপন বলেন, আমরা আনন্দিত আলমবিদিতর ইউনিয়নের চার বারের নির্বাচিত সফল চেয়ারম্যান এবং গঙ্গাচড়া উপজেলার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন সুজনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাই।
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নওশা মিয়া বলেন, রংপুর-১ গঙ্গাচড়া আসনে জননন্দিত নেতা মোকাররম হোসেন সুজনের পুনরায় দলে ফিরিয়ে এনেছেন। গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপি সুজনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। আমরা সব দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভুলে নির্বাচনে বিজয়ের লক্ষ্যে এক হয়ে কাজ করে এই আসনটি তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই। উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান লুলু বলেন, মোকাররম হোসেন সুজন তাঁর জনপ্রিয়তার কারণে উপজেলা বিএনপির প্রাণ ভ্রোমরায় রূপান্তরিত হয়েছে। দল সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ায় সুজন দলের হয়ে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় গঙ্গাচড়া বিএনপিতে উদ্দ্যোম ফিরে এসেছে। সুজনের বহিষ্কার প্রত্যাহার করায় আমরা উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিএনপির নীতি নির্ধারণী মহলকে ধন্যবাদ জানাই।