1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বাড়ছে শীতের ঘনত্ব তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস চিলমারীতে | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

বাড়ছে শীতের ঘনত্ব তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস চিলমারীতে

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৫ জন দেখেছেন
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামের চিলমারীতে শীতের তীব্রতা দিনদিন বাড়ছে। জেলা উপজেলা জুড়ে ভোর থেকে বইছে হিমেল হাওয়া, বাড়ছে কুয়াশার ঘনত্ব। ফলে দিনের বেলাতেও সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহনগুলোকে।
সোমবার (০১ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া কার্যালয় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস বলছে, বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী আগামী কয়েকদিনে কুয়াশা ও শীত আরও জোরদার হতে পারে।
চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফসলি জমি, ঘাসের ডগা এবং খোলা মাঠে জমে আছে শিশিরবিন্দু। দিনের রোদ সামান্য উষ্ণতা দিলেও সন্ধ্যার পর আবার নেমে আসে কনকনে ঠান্ডা। মধ্যরাতের পর হিমেল হাওয়ার তীব্রতা আরও বাড়ে। শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশা-ভ্যান চালক ও খেটে খাওয়া মানুষজন। এছাড়াও দিনে ও সন্ধায় বিভিন্ন এলাকায় খড়কুটো জালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন মানুষজন।
শীতের প্রকোপ সম্পর্কে জানতে চাইলে স্থানীয় রিকশাচালক সাইদুর রহমান (৫৫) বলেন, পেটের ক্ষুধায় তো আর ঠান্ডা বোঝে না। প্রতিদিন সকালে রিকশা নিয়ে বের হলে হাত-পা জমে আসে। কিন্তু রিকশা তো চালাতে হবে না হলে বউ ছেলে মেয়ে খাবে কি তাই ঠান্ডা হলেও রাস্তায় আসতে হবে।
পথচারী মোহাম্মদ আলী জানান, বাজারে গেছিলাম হাঁটি আসতেছি তাও শরীর কাঁপছে ঠান্ডায়। শীত যদি এভাবে বাড়তে থাকে তাহলে তো বাইরে বের হওয়াই মুশকিল হয়ে যাবে। তবে বাজার ঘাট না করলে খামু কি বাবা।
পাত্রখাতা এলাকার কৃষক মাজেদুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর শীত আসলে আলু, টমেটো, মুলা শাখ, শশাসহ বি‌ভিন্ন ধরনের সব‌জি চাষাবাদ করি। কিন্তু এ বছর সকালে শীতের কারণে কাজে বের হতে পারি না। তিনি বলেন ৬০ শতাংশ জমিতে ভুট্টার আবাদ করেছি কীটনাশক স্প্রে করবো কিন্তু ঠান্ডার কারণে সাহস পাচ্ছি না।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, এবছর আরও শীত ও কুয়াশা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিদিনই কুয়াশার ঘনত্ব বাড়ছে। সামনে শীত ও কুয়াশা আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি জানান, সোমবার ভোর ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরো কমে আসবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )