


লিকুয়িফাইট পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকটে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা বন্ধে বাংলাদেশ এ্যানার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে নীলফামারী জেলা এলপিজি ডিষ্ট্রিবিউটরস এ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান মাধ্যম স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এ সময় সংগঠনের নীলফামারী জেলা সভাপতি মঞ্জুরুল আলম সিয়াম ও সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন স্বপনসহ এলপিজি পরিবেশকগণ উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় দেশে এখন এলপিজির চরম সংকট চলছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ শতকরা ৩০ভাগেরও কম। আন্তজার্তিক নিষেধাজ্ঞা ও লেটার অব ক্রেডিট(এলসি) সংকটের কারণে এমন হয়েছে।
এরফলে এলপিজি কোম্পানী ও পরিবেশকগণ চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন এমনকি অনেক ব্যবসায়ী কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন। উল্লেখ করা হয় বিইআরসি কর্তৃক নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কোম্পানী থেকে গ্যাস ক্রয় করতে হচ্ছে। প্লান্ট থেকে এলাকার দুরত্ব ৪’শ থেকে ৫’শ কিলোমিটার দুরে সেখান থেকে রিফিল করে রিটেইল পয়েন্টে পৌঁছানো প্রায় ১’শ টাকা খরচ পড়ে যায়।
নীলফামারী জেলা এলপিজি ডিষ্ট্রিবিউটরস এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন স্বপন জানান, প্লান্টে গিয়ে ১০/১২দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ৩০ থেকে ৪০টাকার লাভের আশায় ১হাজার ৪’শ টাকা থেকে ১হাজার ৪’শ ৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে। এই সময়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করায় আমরা আর্থিক ও সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। বলেন, আমাদের দাবী গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যেন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা না করা হয়।