


লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে পেঁয়াজ চাষে অভাবনীয় সফলতা পেয়েছেন স্থানীয় কৃষক আবদুল গনি মিয়ার। আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি তে পেঁয়াজের ফলন হয়েছে আশাতীত, যা কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে জেলায় পেঁয়াজের ঘাটতি পূরণে নাসিক রেড এন- ৫৩ জাতের পেঁয়াজ প্রথমবারের মতো অসময়ে (অর্থাৎ) গ্রীষ্মকালে পেঁয়াজ চাষে আশানুরূপ ফলন পেয়ে খুশি চাষিরা। উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাশীরাম গ্রামের কৃষক আবদুল গনি অসময়ে গ্রীষ্মকালীন এই পেঁয়াজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন।
কৃষি বিভাগের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কৃষিপ্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় গ্রীষ্মকালীন জাত নাসিক রেড এন-৫৩ জাতের পেঁয়াজ চাষ শুরু করেন তিনি। কৃষক আবদুল গনি কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এই মৌসুমে ১ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেন।
তার ক্ষেতে উৎপাদিত প্রতিটি পেঁয়াজের ওজন ২০০ গ্রাম, এমনকি কাচা অবস্থায় গাছসহ ৩/৪ টিতেই ১ কেজি থেকে ১১ শত গ্রাম। তিনি জানান এ জমি থেকে কমপক্ষে ১ শতক জমিতে তিন মন পেঁয়াজ উৎপাদন হবে বলে তার আশা। তার উৎপাদিত পেঁয়াজ দেখে অন্যান্য চাষি এ জাতের পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
আবদুল কাদের গনি বলেন, প্রথমবারের মতো অসময়ে অর্থাৎ গ্রীষ্মকালে পেঁয়াজ চাষ করছি, গ্রীষ্মকালে পেঁয়াজ চাষাবাদ কঠিন হলেও ভালো ফলন দেখে খুশি। লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোঃ সাইখুল আরিফিন জানান, এই চাষাবাদ কার্যক্রমে প্রতিনিয়ত মনিটরিং করেছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মতে,গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষাবাদ কার্যক্রমে কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।