


সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট – ২০২৬ এ নীলফামারী -৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে নয়জন সদস্য সদস্য প্রার্থীর মধ্যে ছয় জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনের নিয়মানুযায়ী কোনো প্রার্থী ভোটারদের প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। নীলফামারী – ৪ আসনে সর্বমোট ভোটার সংখ্যা হচ্ছে চার লাখ ৫১ হাজার ৮১৫জন। এদের মধ্যে ভোট প্রদান করা হয়েছে দুই লাখ ৯৭ হাজার ২৫৪। ভোট বাতিল হয়েছে ৭ হাজার ৫৭। এতে করে দেখা যায় এবারে নীলফামারী – ৪ আসনের নয়জন প্রার্থী মধ্যে ছয় জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার সংসদ সদস্য প্রার্থীরা হচ্ছেন, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম হাতপাকা প্রতীকে আট হাজার ৩৩৫ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রিয়াদ আরফান সরকার ফুটবল প্রতীকে ৩ হাজার ৮২৬ ভোট, জোবায়দুর রহমান হীরা ঘোড়া প্রতীকে এক হাজার ৮ ভোট, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মাকর্সবাদী) মো. মাইদুল ইসলাম কাঁচি প্রতীকে ৬৩০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মামুনুর রশিদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৪৩৬ ভোট এবং বাংলাদেশ জাতীয় পাটির মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন কাঁঠাল প্রতীকে ৯৭ ভোট পেয়েছেন। তবে এদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মামুনুর রশিদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় পাটির মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন নির্বাচন ভোট গ্রহণের এক সপ্তাহ আগে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. আব্দুল গফুর সরকারকে ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
উল্লেখ্য, এবারে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা অবতীর্ণ হয়েছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে হাফেজ মো. আব্দুল মুনতাকিম এক লাখ ২৬ হাজার ২২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. আবদুল গফুর সরকার ধানের শীষ প্রতীকে ৮২ হাজার ৮৬ ভোট পেয়েছেন। এছাড়াও জাতীয় পার্টি (এ) মনোনীত প্রার্থী আলহাজ¦ মো. সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক লাঙ্গল প্রতীকে ৬৭ হাজার ৫৫৭ ভোট পেয়েছেন।