1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
খানসামায় বাড়ছে জ্বরের প্রকোপ | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

আবহাওয়া পরিবর্তন: খানসামায় বাড়ছে জ্বরের প্রকোপ

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০২ জন দেখেছেন
ব্যাহত খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা

দিনাজপুরের খানসামায় হঠাৎ করে বেড়েছে সর্দিজ্বর ও কাশির প্রকোপ। আবহাওয়ার অস্বাভাবিক ওঠানামা দিনে ভ্যাপসা গরম, রাতে হালকা ঠান্ডা—এই বৈপরীত্যের কারণে শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন মৌসুমি অসুস্থতায়। উপজেলার প্রায় প্রতিটি পরিবারেই এখন কেউ না কেউ জ্বর–সর্দিতে ভুগছেন বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত দুই–তিন সপ্তাহ ধরে উপজেলা জুড়ে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, মাথাব্যথা ও হালকা জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।

কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে শুরু করে খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স—সবখানেই বাড়ছে রোগীর চাপ। একই চিত্র দেখা গেছে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারগুলোতেও। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অনেকেই প্রথমে চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হয়ে স্থানীয় ফার্মেসি থেকে উপসর্গ জানিয়ে ওষুধ কিনে খাচ্ছেন। এতে কেউ কেউ সাময়িকভাবে স্বস্তি পেলেও অনেকের ক্ষেত্রে জ্বর বা কাশি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে। পরে বাধ্য হয়ে তারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গৃহবধূ রহিমা খাতুন বলেন, “আমার মেয়ে কয়েক দিন ধরে জ্বর–সর্দি আর কাশিতে ভুগছে। ফার্মেসি থেকে ওষুধ খাওয়ালেও পুরোপুরি ভালো হয়নি। তাই ডাক্তারের কাছে নিয়ে এসেছি।” মানিক নামের এক ব্যক্তি জানান, “তিন দিন জ্বর, সর্দি আর শরীর ব্যথায় ভুগেছি। এখন কিছুটা ভালো, কিন্তু আমার ছোট ছেলেটা এখন আক্রান্ত।” ছাতিয়ান গড় গ্রামের ফার্মেসি স্বত্বাধিকারী খালেদ রায়হান বলেন, “গত দুই–তিন সপ্তাহ ধরে জ্বর, সর্দি আর কাশির ওষুধের বিক্রি অনেক বেড়েছে।

বেশিরভাগ মানুষ প্রথমে ডাক্তারের কাছে না গিয়ে সরাসরি ওষুধ নিতে আসছেন।”
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, “আবহাওয়াজনিত কারণে সর্দি–জ্বরের প্রকোপ কিছুটা বেড়েছে। এতে আতঙ্কের কিছু নেই। সাধারণত প্যারাসিটামলেই উপকার পাওয়া যায়। অযথা ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা উচিত নয়। জ্বর হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে, বেশি করে তরল খাবার খেতে হবে এবং উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )