1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পহেলা বৈশাখ ঘিরে ইলিশের বাজার ঊর্ধ্বমুখী, সাধারণ ক্রেতা দিশেহারা | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

পহেলা বৈশাখ ঘিরে ইলিশের বাজার ঊর্ধ্বমুখী, সাধারণ ক্রেতা দিশেহারা

সকালের বাণী ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৬ জন দেখেছেন

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মাছের বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। বাজারে মাঝারি থেকে বড় সাইজের ইলিশ কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা। অনেকেই বলছেন, ঐতিহ্যের টানে ইলিশ কিনতে গেলেও বর্তমান দামে তা আর সবার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

বিক্রেতারা জানান, এ সময় প্রতিবছরই ইলিশের চাহিদা বাড়ে। তবে এবার সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় দাম আরো বেশি বেড়েছে। বাজারে বড় সাইজের ইলিশ প্রতি কেজি ৩ হাজার টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের ইলিশও ১০০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, নববর্ষ উপলক্ষে অনেক পরিবারই পান্তা-ইলিশ খাওয়ার পরিকল্পনা করে। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি চাহিদা তৈরি হয়। সেই সুযোগে বাজারে দামও দ্রুত বাড়ে।
এদিকে ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, নদীতে বড় সাইজের ইলিশ কম ধরা পড়ছে। ফলে বাজারে আগের সংরক্ষিত মাছের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়ছে এবং দাম বাড়ছে।
এদিকে চলমান জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচির কারণে নদী ও সাগরে মাছ ধরা নিয়ন্ত্রিত রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হলেও সাময়িকভাবে বাজারে সরবরাহ কমে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০ ইঞ্চির কম দৈর্ঘ্যের ইলিশ ধরা বন্ধ রাখতে পারলে ভবিষ্যতে উৎপাদন আরো বাড়বে। এতে দীর্ঘমেয়াদে বাজার স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, নববর্ষ এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন।

ফলে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ থেকে অনেকেই বঞ্চিত হন। তবে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সংরক্ষণ কার্যক্রম ঠিকভাবে চললে আগামী মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে এবং বাজারেও দাম কিছুটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )