তিনি আরও বলেন, ভোজ্যতেল নিয়ে আমরা নিয়মিত বৈঠক করি। এটি একটি সংবেদনশীল পণ্য; এর দাম বাড়লে ক্রেতারা অসন্তুষ্ট হন। এজন্য আমরা নিয়মিত বিরতিতে দেশের তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি ও আমদানি পর্যালোচনা করি। তবে এই বৈঠকে দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো বলার মতো কিছু হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এই বৈঠকে দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) থেকে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। এর কয়েকদিন আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এই প্রস্তাব দিয়েছিল।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে দাম না বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।
এদিকে, আজ অনুষ্ঠিত দুই দফা বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারীদের দাম না বাড়িয়ে মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কী ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
























