সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর মাঝখানের ঢালাই ভেঙে গেছে এবং রেলিং না থাকায় পথচারীদের চলাচল অত্যন্ত বিপদজনক হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। এতে করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষকসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন আগেও একটি গরু সেতু থেকে পড়ে মারা গেছে। এর আগে কয়েকজন শিক্ষার্থী সাইকেলসহ পানিতে পড়ে যায়। রেলিং না থাকায় বৃদ্ধ ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়া ভ্যান, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চালকরাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায় চাষিরা পড়ছেন চরম দুর্ভোগে।
এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াস আলী, মাহফুজার রহমান ও আপেল মিয়া জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে নির্মিত সেতুটির পিলারের সিমেন্ট ধ্বসে পড়েছে। ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি অচল থাকায় তারা কৃষিপণ্য নিয়ে হাট-বাজারে যেতে পারছেন না।
এলাকাবাসী দাবি করেছেন দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ না হলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে তাই জন দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রদীপ কুমার জানান, সেতুটির জন্য প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।