1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন ঋতুপর্ণা-নিয়াজ মোর্শেদরা, নেই হামজা-সামিত | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন

ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন ঋতুপর্ণা-নিয়াজ মোর্শেদরা, নেই হামজা-সামিত

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩১ জন দেখেছেন

ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় ধাপে রবিবার ক্রীড়া ভাতা কার্ড প্রদান করা হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটরিয়ামে ১৭১ জন ক্রীড়াবিদের হাতে এই কার্ড তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এর আগে প্রথম ধাপে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ক্রীড়া ভাতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সেই অনুষ্ঠানে ১২১ জন এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা আনার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছিলেন। ইতোমধ্যে ৩০০ জন এই আওতায় এসেছেন। ক্রিকেট বাদে ফুটবল, হকি, সাতার, ভারত্তোলন, টেবিল টেনিস, দাবা, আরচ্যারিসহ শীর্ষ অনেক খেলার জাতীয় খেলোয়াড়রা এই আওতায় এসেছেন। বক্সিংসহ আরো কয়েকটি খেলার খেলোয়াড়রা অবশ্য বাদ রয়েছেন। তাদের মাস তিনেক অপেক্ষা করতে হবে, ‘এই অর্থ বছরে আমরা তিন কোটি টাকা করে বরাদ্দ পেয়েছি। তাই ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। আগামী অর্থ বছরে পাঁচ কোটি করে পাওয়া যাবে, তখন আরো দুইশ জন ক্রীড়াবিদ এই আওতায় আসবেন’, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক ক্রীড়া আমিনুল এহসান।

প্রতি মাসে খেলোয়াড়রা এক লাখ টাকা করে সরকারের কাছ থেকে অর্থ পাবেন। ক্রিকেট, ফুটবলের বাইরে অন্য সকল খেলোয়াড়রা চরম আর্থিক অনিশ্চয়তায় থাকেন। মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এক লাখ টাকা করে মাসিক ভাতা পাওয়ায় তাই অনেকটা স্বস্তিতে হকির তারকা আশরাফুল ইসলাম, ‘হকি একটা সম্ভাবনাময় খেলা। আমাদের ঘরোয়া লিগ অনিয়মিত ফলে খেলোয়াড়দের আয়ের উৎস সীমিত। সরকারের এই ভাতা পাওয়ায় আমরা এখন নিজেরা খেলার প্রতি আরো সচেতন হতে পারব। অন্যরাও জাতীয় দলে খেলার জন্য তীব্র চেষ্টা করবে।’

জাতীয় টেবিল টেনিসে ততোধিকবারের চ্যাম্পিয়ন সোনাম সুলতানা সোমা। ক্যারিয়ারের শেষ মুহুর্তে এসে সরকারের এমন সুবিধা পাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি, ‘খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি খুবই প্রয়োজন ছিল। অবশেষে এটি হয়েছে। এখন খেলোয়াড়রা প্রকৃত অর্থেই পেশাদার হয়ে খেলায় পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবে, অন্য কিছু ভাবতে বা করতে হবে না।’ ফুটবলাররা ঘরোয়া লিগ থেকে বেশ ভালোই অর্থ পান। জাতীয় দলের ক্যাম্প চলাকালে ফেডারেশন পুরুষ ফুটবলারদের তেমন অর্থকড়ি দিতে পারে না নানা সীমাবদ্ধতায়। তাই সরকারের থেকে এক লাখ টাকা করে পাওয়ায় বেশ খুশি জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিন, ‘দেশের হয়ে খেলা সবচেয়ে বড় সম্মানের।

জাতীয় দলে খেলার জন্য সরকার থেকে এমন প্রাপ্তি অবশ্যই স্বীকৃতি পাশাপাশি ফুটবলারদের জন্য প্রয়োজনও।’ প্রবাসী ফুটবলার হামজা চৌধুরি, সামিত সোম, ফাহমিদুল ইসলাম, জায়ান আহমেদ, তারিক কাজীর নাম ভাতার তালিকায় নেই। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, তাদের অনেকের বাংলাদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ড নেই এবং ফুটবলে ২৩ জনের স্কোয়াড মূলত হলেও আপাতত ১৮ জন বিবেচনা করা হয়েছে। পুরুষ ফুটবল দলের মতো নারী ফুটবল দলেও ১৮ জন ভাতার তালিকায়।
নারী-পুরুষ মিলিয়ে ১০ জন ভারত্তোলক পেলেও সেই তালিকায় নেই স্বর্ণজয়ী ভারত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। সম্প্রতি তিনি ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় আগামী দুই বছর ক্রীড়াঙ্গন থেকে নিষিদ্ধ।

তাই সরকারের তালিকায় তিনি থাকতে পারেননি। বিভিন্ন খেলায় বর্তমান জাতীয় দলে রয়েছে এমন খেলোয়াড়দেরই মূলত ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। সর্বশেষ দাবা নারী দলে ছিলেন না কিংবদন্তী দাবাড়ু রাণী হামিদ। জাতীয় মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপে তার অবস্থান ছিল ১১ তম। ৮২ বছর বয়সেও এখনো তিনি সক্রিয় দাবাড়ু এবং বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম কিংবদন্তী ক্রীড়াবিদ রাণী হামিদ। তাকে ক্রীড়া ভাতার আওতায় এনে সম্মান প্রদর্শন করেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক আমিনুল হকের ক্যারিয়ার আরো দীর্ঘ ও মসৃণ হয়নি ইনজুরির জন্য। তাই তিনি ক্রীড়াবিদদের এই বিষয়ে বেশ সচেতন, ‘ক্রীড়া ভাতার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করার চেষ্টা হয়েছে।

পাশাপাশি খেলোয়াড়রা যেন সুচিকিৎসা পান, সেটাও আমরা সর্বাত্মকভাবে নিশ্চিত করব। বর্তমান খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট যারা রয়েছেন প্রত্যেককে একটি সুন্দর কাঠামোর মধ্য আনা হবে। সাবেক ক্রীড়াবিদদের নিয়েও আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )