1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বসতভিটা-ফসলি জমি হারিয়ে দিশেহারা নদীতীরবর্তী মানুষ | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন

বসতভিটা-ফসলি জমি হারিয়ে দিশেহারা নদীতীরবর্তী মানুষ

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ২১ জন দেখেছেন

উত্তরের জনপদ কুড়িগ্রামে নদ-নদীর ভয়াল ভাঙনে আবারও হুমকিতে পড়েছে শত শত পরিবার। তিস্তা নদীর অব্যহত ভাঙনে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি ও বসতভিটা। ফলে নদীতীরবর্তী হাজারো মানুষ চরম অনিশ্চয়তায় রাত কাটাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে নদীর তীরবর্তী এলাকার কৃষকরা প্রতিদিনই হারাচ্ছেন আবাদি জমি, ভুট্টা, ধানসহ বিভিন্ন ফসল নদীতে বিলীন হওয়ায় তারা পড়েছেন চরম সংকটে। অনেক বসতবাড়িও এখন সরাসরি ঝুঁকির মুখে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে,তিস্তা নদীর প্রায় ৪৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙনপ্রবণতা রয়েছে। এর মধ্যে রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের রামহরি এলাকায় ৪০০ মিটার, নাজিমখান ইউনিয়নে ৫০০ মিটার, বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের গাবুর হেলান ৫০০ মিটার, ছিনাই ইউনিয়নের ৬০০ মিটারবএলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন, নদী ভাঙতে ভাঙতে বাড়ির কাছে চলে এসেছে। এবার বাড়ি ভাঙলে আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা থাকবে না।

স্থানীয় বাসিন্দা মফিজল জানান, খিতাবখাঁ গ্রামের মূল ভূখণ্ডের দুই-তৃতীয়াংশ আগের বছরগুলোতেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ বছর বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই তিস্তা আবারও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে গ্রামের অবশিষ্ট অংশও হারিয়ে যাবে। কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন জরুরি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রাকিবুল হাসান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )