


পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার দাবিতে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১ ঘটিকায় মিনি স্টেডিয়ামের সামনের সড়কে মেডিকেল ফার্মাসিউটিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশনের (ফারিয়া) সদস্যদের অংশগ্রহণে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশার মর্যাদা রক্ষা ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ অক্ষুন্ন রাখার দাবি তুলে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্কয়ার কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ আব্দুল মালেক, একমি ল্যাবরেটরি লিমিটেডের অহেদুল ইসলাম, অপসোনিনের হাফিজ উদ্দিন, এডোড়ার রাসেল মিয়া, একমি’র মোসলেম উদ্দিন, পপুলারের হাসান আলী, আদদ্বীন ফার্মার ওয়াসিম প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভগণ দালাল নয়, এদেশের উচ্চশিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী, আধুনিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহকারী, শহর থেকে প্রান্তীক এলাকায় রোগীর জীবন রক্ষাকারী ঔষধ সরবরাহ করি, ঔষধ শিল্প দেশের অর্থনীতিতে নাম্বার ওয়ান চালিকাশক্তি আমরা তারই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারত্বের অন্যতম। গত ৪ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজে দালাল বিরোধী অভিযানের নামে অর্ধশত মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের আটক করা হয়েছে।
এ আটকের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ অক্ষুন্ন রাখার জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়াও বক্তাগণ ৬দফা দাবি তুলে ধরে আরো বলেন, সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘন্টা কর্ম দিবস নিশ্চিত করণসহ ছুটির দিনে ওভারটাইম কাজ করলে ওভার টাইম দিতে হবে। চাকরীর বয়সের সাথে সাথে গ্রাচুয়িটি শতকরা হারে বাড়াতে হবে। টিএ/ডিএ বিল প্রতিবছর বাজার মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বৃদ্ধি করতে হবে। বেসিক স্যালারির মোট স্যালারির ন্যূনতম ৬০% করতে হবে।
চাকুরীর বয়স ৫বছর হলে ইমপ্লয়ের জন্য স্যালারি থেকে টাকা না কেটে মোটরসাইকেল/কার যানবাহন ফ্রি করে দিতে হবে। যেকোনো ইমপ্লয়িকে কোন কারনে চাকরিচ্যুত করলে শুধু ক্ষতিপূরণ বাবদ কোম্পানিকে ১০ লাখ টাকা দিতে বাধ্য থাকিবে। তারা এসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।