খরিবাড়ী বাজারে ক্রেতা রহমান শেখ ও বিপুল চন্দ্র রায় জানান, আসলেই কলার পাতায় মোড়ানো লবণের প্যাকেট গুলো অনেক পর দেখে ভালো লাগলো। এমন ভাবে মোড়ানো হয়েছে ব্যাগে রাখলেও পড়বে না।
খরিবাড়ী এলাকার সহকারী প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া শেখ ও বিএসসি শিক্ষক এস এম আসাদুজ্জামান জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে খরিবাড়ী বাজারে পলিথিনের পরিবর্তে পরিবেশ বান্ধব উপায়ে পণ্য বিক্রির উদাহরণ হিসেবে কলার পাতায় লবণের প্যাকেট করে বিক্রি করছেন। তার অসাধারণ পদ্ধতি দেখে আরও একজন লবণ ব্যবসায়ী কলার পাতায় লবণ বিক্রি করছেন। এই পদ্ধতিতে ধরে রাখতে সবাই এগিয়ে আসলে ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার কমবে। এই দুই শিক্ষক আরও জানান, কলার পাতা সহজলভ্য, প্রাকৃতিকভাবে এটি পচনশীল এবং পরিবেশবান্ধব, যা পরিবেশ রক্ষা ও সচেতনতার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নাওডাঙ্গা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সাহিত্যিক আব্দুল হানিফ সরকার জানান, সামাজিক যোগাযোগে ফেসবুকে কলাপাতা মোড়ানো লবণের প্যাকেটসহ লবণ ব্যবসায়ীকে অত্যন্ত ভালো লেগেছে। এই অসাধারণ দৃশ্যটি আজ ৪০ থেকে ৪৫ বছরে সব ব্যবসায়ী ক্রেতা বিক্রেতারা ব্যবহার করতেন। এরপর আস্তে আস্তে সেটি একেবারেই বিলুপ্ত হয়ে যায়। আজ হঠাৎ কলাপাতা মোড়ানো লবণের প্যাটেক দেখে অত্যন্ত ভালো লেগেছে। এটি সত্যি পরিবেশ বান্ধব। আসলে আমরা এতদিন জেনেশুনে পলিথিনের ব্যবহার করেছি। বর্তমান সরকার যেহেতু পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন। আমাদের সবাইকে পরিবেশ-বান্ধব গাছের পাতা অথবা শট্টির পাতা এবং পাটজাত পণ্যের ব্যবহার করা উচিত।