


আর বর বিকাশ ওরফে ভিক্কু আগে এই তরুণীদের সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টের ক্যামেরাম্যান হিসেবে কাজ করতেন এবং গত ছয় মাস ধরে ভিডিওগুলোতে তাদের অন-স্ক্রিন স্বামীর ভূমিকায় অভিনয় করে আসছিলেন। শুরুতে অনেকেই এটিকে রিলস বা কনটেন্ট তৈরির নাটক বলে মনে করলেও, পরবর্তী সময়ে তারা ক্যামেরার সামনে এসে দাবি করেন যে এই বিয়ে পুরোপুরি বাস্তব।
তরুণীরা জানান, তারা ছোটবেলা থেকেই একসঙ্গে বড় হয়েছেন এবং বিয়ের কারণে আলাদা হতে চাননি। পরিবার থেকে তাদের আলাদা পাত্রে বিয়ে ঠিক করায় তারা হতাশ হয়ে পড়েন। একসঙ্গে থাকার জন্য স্বেচ্ছায় একই ব্যক্তিকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তারা।
তাদের দাবি, তারা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক এবং পারস্পরিক সম্মতিতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। বর বিকাসও জানান যে তরুণীদের পারস্পরিক গভীর বন্ধনকে সম্মান জানিয়েই তিনি এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন।
এদিকে হাসনপুরের মা চামুণ্ডা মন্দিরে এই ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হলেও, মন্দির কর্তৃপক্ষ এই বিয়ের বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ওই সময় মন্দিরে সংস্কার কাজ চলছিল এবং সেখানে কোনো পুরোহিত বা কর্মী উপস্থিত ছিলেন না।
তবে আইনগত দিক থেকে, ১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী বহুবিবাহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী বৈধ হিন্দু বিয়েতে একাধিক জীবনসঙ্গী রাখা বেআইনি, এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৮২ ধারা অনুযায়ী এই ধরনের দ্বিবাহু বা বহুবিবাহের জন্য ফৌজদারি অপরাধ ও শাস্তির বিধান রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি।