
দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলার সাউতাঁড়া ইউনিয়নে পরিষদের রাবারড্যাম বাজারের পাশে, অমরপুর ইউনিয়নের কইল্লা বাড়ির ঘাটে ও ভিয়াইল খেড়খাটি গ্রামের কাঁকড়া নদীর ড্রেজিং প্রকল্পের বালু নাম মাত্র ইজারা নিয়ে দিনে রাতের নদীর মাঝের চর থেকে চুরি হচ্ছে বালু ।এতে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
সম্প্রতি কাঁকড়া নদীর ড্রেজিং প্রকল্পের বালু ইজারা দিয়ে বিক্রি হচ্ছে এমন তিনটি বালু পয়েন্ট ঘুড়ে দেখা গেছে, ইজারাদাররা ড্রেজিং প্রকল্পের বালু ইজারা নিয়ে নদীর পাড়ের বালু উত্তলন করার কথা থাকলেও তারা সেটা মানছে না ।নদী মাঝে পানির গতিপথ বন্ধ করে রাস্তা তৈরি করে চর থেকে দিনে রাতে বালুর ঘাট থেকে প্রায় শতাধিক দশ চাকার ড্রাম ট্রাক ও ট্রাকক্টর দিয়ে বালু চুরি করছে ইজারাদাররা।
স্থানিয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ইজারাদাররা অনেকেই স্থানিয় প্রভাবশালি তারা কাঁকড়া নদীর ড্রেজিং করা বালু কিনে দিনের বেলা ছোট ছোট ট্রাক্ট্রর দিয়ে নদীর পাহাড়ে রাখা ড্রেজিং করা বালু বিক্রি করে। আর রাতের আঁধারে নদীর মাঝ খান চর থেকে ড্রাম ট্রাক দিয়ে রাতের আঁধারে লাখ লাখ টাকার বালু বিক্রি করছে ইজারা দাররা।এতে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তলন করায় বর্ষা মৌসুমে নদীর ভাঙ্গনে কৃষি জমির ক্ষতি হবে অন্যদিকে দশ চাকার ড্রামট্রাক চলা চলা করায় গ্রামিন রাস্তা ঘাট নষ্ট হচ্ছে।আমারা স্থানিয়রা প্রশাসন কে অবগত করে কোন কাজ হয় না মাঝে মাঝে আসে অভিজান কর কয়েকদিন ঘাট বন্ধ করে রাখে পরে আবার চালু হয়।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক স্থানিয় একজন বলেন, উপজেলার তিনটি পয়েন্ট কাঁকড়া নদীর ড্রেজিং প্রকল্পের বালু ইজারা দিয়েছে সরকার কিন্তু স্থানিয় আওয়ামীলীগের নেতা ,সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলে ও বর্তমান স্থানিয় ইউপি সদস্যরা মিলে নদীর পাহাড়ে রাখা ড্রেজিং প্রকল্পের বালু ইজারা নিয়ে নদীর মাঝখান রাস্তা তৈরি করে চর থেকে লাখ লাখ টাকার বালু তুলে বিক্রি করছে।কিন্তু প্রশাসন বিষয়টি জানার পরেও চুপ আছে।
চিরিরবন্দর উপজেলা সকারি কমিশনার ভুমি ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনাল্ট চাকমা জানান, আমি বিআইডব্লিউটিএ অবগত করেছি তদন্তের জন্য । নদীর চর থেকে বালু কাটলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Related