কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করার পর তার স্বজনেরা যখন কবরস্থান থেকে চলে যায় তখন মৃত ব্যক্তির রূহ তার দেহে ফেরত দেওয়া হয় এবং তার কাছে নীল চোখ বিশিষ্ট দু’জন কালো আকৃতির ফেরেশতা আগমন করে। তাদের একজনের নাম নাকীর এবং অন্যজনের নাম
ইসলামের ইতিহাসে ২০ রমজান এক অনন্য তাৎপর্য বহন করে। এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে আরব উপদ্বীপে ইসলামের শক্ত ভিত প্রতিষ্ঠা করেন। একই সঙ্গে ইতিহাসে এ দিনকে ঘিরে জড়িয়ে আছে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও স্মৃতি। মক্কা
রমজানের শেষ দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ইতেকাফ। এটি এমন একটি ইবাদত, যেখানে একজন মুমিন দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে কিছুটা দূরে সরে গিয়ে আল্লাহর ইবাদতে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত করেন। তবে প্রতি বছরই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- মসজিদে না গিয়ে কি পুরুষরা
মাহে রমজানের অন্যতম বিধান রোজা পালন করা। এর জন্য প্রয়োজন সংযম। এ মাসে কিছু বর্জনীয় এমন রয়েছে, যা রোজার দিনে আমাদের অজান্তেই ঘটে যায়। তখন রোজা ভেঙে যায় এবং সেই রোজার কাজা ও কাফফারা উভয়টি আবশ্যক হয়। এমন ৪টি বিষয়
শ্বাসকষ্টে ভোগেন শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। শ্বাসকষ্ট কমাতে অন্য ওষুধের পাশাপাশি অনেকেই ইনহেলার ও নেবুলাইজার নেন। নেবুলাইজারের মাধ্যমে মূলত শ্বাষকষ্ট দূরীকরণের ওষুধ তরল বা বাষ্প আকারে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে।রোজা রাখা অবস্থায় খাদ্যনালীতে বাহির থেকে নিরেট বাতাস ছাড়া কিছু
রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান। এই মাসে মুমিন বান্দার প্রতিটি ইবাদতের সওয়াব যেমন বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, তেমনি দোয়া কবুলেরও বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়। হাদিসে বর্ণিত ইফতার ও সাহরির সময় পাঠযোগ্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ মাসনুন দোয়া নিচে তুলে ধরা হলো-
ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ দুই আর্থিক ইবাদত যাকাত ও ফিতরা। এই দুই ইবাদত একই নাকি কিছুটা ভিন্নতা আছে এমন প্রশ্ন আছে অনেকেরই মনে? কার ওপর কখন কোনটি ফরজ এ নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই অনেকের। ফেকাহবিদদের মতে, যাকাত ও সদকাতুল ফিতর বা ফিতরা
কল্পনা করুন এমন এক জায়গার কথা, যেখানে ঘড়িতে রাত ১২টা বাজলেও আকাশে সূর্যের আলো থাকে। অথবা এমন এক সময়, যখন টানা কয়েক মাস সূর্য দিগন্তের নিচে নামে না। ভৌগোলিক ভাষায় একে বলা হয় ‘মিডনাইট সান’ বা মধ্যরাতের সূর্য। উত্তর মেরু
ঈদুল ফিতরের আনন্দকে সর্বজনীন করতে এবং অভাবী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ইসলামে ‘সাদাকাতুল ফিতর’ বা ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। তবে ফিতরা প্রদানের ক্ষেত্রে অনেকে বিভ্রান্তিতে ভোগেন- কাকে ফিতরা দেওয়া যাবে আর কাকে যাবে না? বিশেষ করে নিকটাত্মীয়দের মধ্যে ফিতরা বণ্টনের
প্রাপ্ত বয়স্ক নারী, পুরুষ সবার জন্য রোজা রাখা ফরজ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল; যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩)