উপজেলা বিএনপির পৃথক দুটি মামলায় বহিস্কৃত সাবেক সাধারণ সম্পাদক একেএম ফরিদুল হক শাহীন শিকদারসহ ৫৬ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। অপরদিকে বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের ১টি মামলায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী মুস্তফা ও যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন ব্যাপারীসহ ২৫ জন বিএনপির নেতাকর্মীর নামে মামলা করেছে।
উল্লেখ্য সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বাসস্ট্যান্ড স্মৃতি সৌধে বিজয় দিবসের ফুল দিতে গেলে উপজেলা বিএনপি ও বহিস্কৃত সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। এসময় বহিস্কৃত নেতার অনুসারী কামরুজ্জামান মোল্লা প্রতিপক্ষের দ্বারা লাঞ্চিত হন।
পরবর্তীতে এঘটনার জের ধরে স্থানীয় কলেজ মোড়ে বহিস্কৃত নেতার অনুসারীদের আক্রমণে উপজেলা জিয়া সাইবার ফের্সের আহ্বায়ক ফারুক হোসেন গুরুতর আহত হন। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ হয়।
এসময় শাহীন শিকদারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে সোহেল নামের একজন রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন।
এঘটনায় মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) ফারুক হোসেন, তৌফিকুর রহমান তফিক ও কামরুজ্জামান মোল্লা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনিরুল ইসলাম বলেন, উভয় পক্ষের তিনটি মামলায় ৮১ জন ও অজ্ঞাত আসামী করে মামলা করা হয়েছে।