জানা গেছে, আল-আমিনের সাথে একই গ্রামের আশরাফুজ্জামান সবুজ মিয়ার মেয়ে সাদিয়া আক্তারের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত দুই মাস পূর্বে নোটারী পাবলিক কার্যালয় নীলফামারীতে উপস্থিত হয়ে কোর্ট এফিডেভিট এর মাধ্যমে গোপনে বিয়ে করেন।
সেই বিয়ে মেনে নিতে না পারায় মেয়ের পরিবারের লোকজন রাতের আধারে পথরোধ করে রাস্তায় আটকিয়ে আল-আমিনের দাদা হাসেন আলী ও সবুজ মিয়াকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে হাসেন আলীর ডান পায়ের হাটুর নিচে গুরুতর জখম হলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
রিনা বানু বলেন, তারা গোপনে সম্পর্ক করে বিয়ে করেছেন আমরা জানতাম না। গত দুই মাস পূর্বে জানতে পারি তারা সম্পর্ক করে বিয়ে করেছেন। সেই বিয়ের মূল কাগজ ছেলের বাবা আমার কাছে চেয়েছেন। আমি কোর্ট এভিডেভিড এর ফটোকপি তাদেরকে দেই।
তারা মূল কাগজ না পেয়ে আমার শ্বশুর হাসেন আলীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তিনি আরও বলেন, তারা বাড়িতে এসে প্রাণনাশের হুমকি, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি এবং নিয়মিতভাবে গালিগালাজ করছেন। তাই আমার পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এজন্য আমি বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছি।
হাসেন আলী বলেন, আমি চিকলী বাজারে ধান বিক্রি করার জন্য যাই। সিলু মিয়া বাজারে আমাকে ডেকে মূল কাগজ না দিলে মারার হুমকি দেন। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সিলু মিয়া ও তার লোকজন রাস্তায় আটকিয়ে আমাকে ও সবুজ মিয়াকে বেধড়ক মারধর করে আমার কাছে থাকা ধান বিক্রি করা টাকা জোরপূর্বক বের করে নেয়। পরে এলাকাবাসী আমার চিৎকার শুনে আমাকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। বর্তমানে আমি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছি।
তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এমএ ফারুক জানান, উক্ত ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।