1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৩৬ জন দেখেছেন

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং তথ্য না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে সহকারী কমিশনার মো. ইসাহাক আলীর বিরুদ্ধে। সোমবার (১৮আগস্ট)দুপুরে বন্দরের স্টেশনে জেলার কয়েকজন সিনিয়র গণমাধ্যমকর্মী বন্দর সংশ্লিষ্ট রাজস্ব তথ্য জানতে গেলে,তিনি সাংবাদিকদের তার কক্ষ থেকে বের করে দেন এবং কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ রয়েছে,বিগত অর্থবছরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি থেকে সরকার কত রাজস্ব পেয়েছে,এই তথ্য জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার তথ্য না দিয়ে রেগে যান। তিনি বলেন, আপনাদের তথ্য দিয়ে আমি চাকরি হারাবো নাকি!তবে তদন্ত করতে গিয়ে সাংবাদিকরা জানতে পারেন, সহকারী কমিশনার ইসাহাক আলী সম্প্রতি বদলির আদেশ পেয়েছেন।আর বদলির আগে তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সিএন্ডএফ এজেন্টদের ডেকে অবৈধভাবে ‘বকেয়া অর্থ’ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিশোধের মৌখিক নির্দেশ দেন। এই নির্দেশনা অমান্য করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছেন এবং সাংবাদিকদের আগমনে আরও বিরক্তি প্রকাশ করেন। সিএনএফ এজেন্ট ও ব্যবসায়ীরা জানান,ঘুষ না দিলে কাস্টমস কর্মকর্তারা নানা জটিলতা তৈরি করেন,পণ্য ছাড়তে দেরি করেন, কিংবা অযথা নথিপত্রে সমস্যা দেখিয়ে হয়রানি করেন। ফলে বাধ্য হয়েই তারা এই ঘুষ দিতে বাধ্য হন।

অভিযোগে আরোও জানাযায়,বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে প্রতিদিন রপ্তানিকৃত প্রতিটন পাথরের বিপরীতে সিএনএফ এজেন্টদের মাধ্যমে ১০ টাকা এবং প্রতিটি কনসাইনমেন্ট থেকে ৫ হাজার টাকা করে আদায় করে থাকে একটি প্রভাবশালী চক্র। বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ৫ থেকে ১৫ হাজার টন পাথর আমদানি-রপ্তানি হয়, যার মাধ্যমে দৈনিক অবৈধ আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকার মতো।

সহকারী কমিশনার ইসাহাক আলী বলেন,আপনাদের তথ্য দিয় আমার চাকরিটা হারাবো? এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের তিনি তার কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।ঘটনার পর সাংবাদিকরা রংপুর কাস্টমস কমিশনারকে ফোনে অবহিত করার চেষ্টা করলে তিনি অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন।তবে তার প্রটোকল অফিসার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এই ধরনের আচরণ কাম্য নয়, বিষয়টি কমিশনারকে জানানো হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল বলছে, কাস্টমস কর্মকর্তাদের এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ফলে ব্যবসার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ী ইতিমধ্যেই বাংলাবান্ধা বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।এতে করে জাতীয় রাজস্ব খাতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )