
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা ও নিজ মাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিকাল ৪ টার সময় উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের গাংবের এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের মামা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত সৎ বাবা উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের গাংবের এলাকার আসাদুল মিস্ত্রির ছেলে রশিদুল ইসলাম (৪০) ও মা একই এলাকার মৃত নজরুল ইসলাম এর মেয়ে আঁখি আক্তার ওরফে নাসরিন (২৮)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় কয়েক বছর আগে গোপালগঞ্জে বিয়ে হয় উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের পানিয়ালপুকুর একতার বাজার এলাকার মৃত নজরুল ইসলাম এর মেয়ে আঁখি আক্তার ওরফে নাসরিন।
পাঁচ বছরের সংসারে একটি মেয়ে সন্তান থাকা অবস্থায় ডিভোর্স হলে গত ৪ বছর পূর্বে ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক নাসরিনের আবার বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের গাংবের এলাকার আসাদুল মিস্ত্রির ছেলে রশিদুল ইসলাম এর সাথে।
সেই সুবাদে মা নাসরিন এর সাথে সৎ বাবার সংসারে বসবাস করতেন ভিকটিম। ১ বছর আগে সৎ বাবার কুনজরে পড়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষনের শিকার হন ঐ শিশুটি ।নিজ মায়ের সহযোগিতায় প্রায় দশ মাস ধরে ধর্ষিতা ঐ শিশু প্রায় ৫ মাস পূর্বে দুই মাসের গর্ভবর্তী হলে তাকে বাচ্চা নষ্ট করার ওষুধ খাওয়ালে প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হলে অসুস্থ হয়ে ১৪ থেকে ১৫ দিন বিশ্রামে ছিলেন। পরবর্তীতে সে সুস্থ হলে আবার পূনরায় ধর্ষন করতে থাকে। সর্বশেষ গত ১৯ আগস্ট রাত ১১ টার দিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আবারো জোরপূর্বক ধর্ষনের শিকার হন ।
ধর্ষক রশিদুল ও ভিকটিমের নিজের মা তাকে সবসময় চোখে চোখে রাখতেন ।যাতে করে কাউকে বলার সুযোগ না পায়।
২৯ শে আগস্ট ভিকটিম তার আপন মামা ও মামীকে ১ বছর ধরে তার মায়ের সহযোগীতায় ধর্ষনের কথা খুলে বলেন।
ভিকটিমের আপন মামা সোহাগ হোসেন বলেন আমাকেও আমার স্ত্রী কে আমার ভাগ্নি এক বছর ধরে ধর্ষণের কথা স্বীকার করায় আমি বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি । তদন্ত সাপেক্ষে এর সুস্থ বিচার দাবি করছি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম জানান দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
Related