1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পার্বতীপুরে প্রাথমিক শিক্ষিক আফরোজার নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন

পার্বতীপুরে প্রাথমিক শিক্ষিক আফরোজার নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৫ জন দেখেছেন

পার্বতীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট অভিযোগ গত ৪ আগস্ট/২৫ ঝাউপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা তৈয়বা ও তার সহযোগী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার আসমা খাতুনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ করেন ওই স্কুলের আরেক সহকারী শিক্ষিকা আফরোজা খাতুন। এর প্রেক্ষিতে প্রায় মাস খানিক আগে পার্বতীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. এনামুল হক সরকার উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ইউনুস আলীকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মতিয়ার রহমান নিউটন এবং ঝাউপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাষ্টার ও সহকারী শিক্ষা অফিসার দোলোয়ার হোসেন। কমিটিকে এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিল। আহ্বায়ক কমিটি সময় স্বল্পতার অজুহাত দেখিয়ে এক মাসেও তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে পারেনি।

সোমবার দুপুরে উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ঝাউপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আফরোজা খাতুন নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। পার্বতীপুর প্রেসক্লাবে জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। তিনি তার স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগে বলেন, বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসমা খাতুন ও সহকারী শিক্ষিকা তৈয়বা খাতুন শিক্ষিকা আফরোজা খাতুনকে কারণে আকারনে মানষিক ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বরত অবস্থায় ঘুমাতেন এবং বিলম্বে স্কুলে আসেন। এসব কারণে বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে। আমি গত ৪ আগষ্ট/২০২৫ সমস্যাগুলোর বিষয়ে পার্বতীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি। বরং উল্টো দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নির্লিপ্ততার সুযোগে আসমা খাতুন তার আত্মীয়স্বজনকে লেলিয়ে দিয়ে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমি আমার মাকে নিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছি। তারপরও যাদের রাস্তা-ঘাটে আটক করে উত্ত্যক্ত করে। তাই আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমি আমার জীবনের নিরাপত্তা চাইছি।

ঝাউপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আসমা খাতুন জানান, স্কেল দিয়ে আমার বিষয়ে বলা হয়েছে। এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। ওইদিন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ২৮ জানুয়ারি আমি ছুটিতে ছিলাম। সঠিক সময়ে স্কুল আসা-যাওয়া করে থাকি। স্কুল ঘুমানোর জায়গা নয়। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন।এব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মো: ইউনুস আলী জানান, জেলা ডিপিও স্যারকে তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হয়নি।

৭দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিল। আগামী দুই একদিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়া হবে তিনি দাবি করেন।
এবিষয়ে পার্বতীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. এনামুল হক সরকার বলেন, ডিপিও স্যারের নির্দেশে এক মাস আগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু তদন্ত কমিটি এখনও পর্যন্ত রিপোর্ট জমা দেয়নি। হয়তো আগামীকাল তদন্ত রিপোর্ট পেয়ে যাবো আশা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )