1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
হাটবাজারে দোকানে মিলে বাহারি মিষ্টি | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন

নিজে কারিগর, দোকানি: হাটবাজারে দোকানে মিলে বাহারি মিষ্টি

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৪ জন দেখেছেন

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার প্রধান হাট ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি হয় জিভে জল আসা হরেক রকমের বাহারি মিষ্টি। এসব বিক্রেতারা নিজেই কারিগর, নিজে মালিক এবং নিজেই দোকানি হওয়ায় কম লাভে শহরের সুসজ্জিত দোকানের চেয়ে প্রায় অর্ধেক দামে মিষ্টি বিক্রি করে থাকেন। অর্ধেক দামে মিষ্টি পেয়ে ক্রেতারাও লুফে নেন সে সুযোগ। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিরামপুরহাট, কাটলাহাট, শিবপুর, বিজুল, দেশমা, আয়ড়ামোড়সহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি হয় স্থানীয় ভাবে তৈরিকৃত রকমারি মিষ্টি। বিক্রেতারা নিজে মিষ্টি তৈরির কারিগর।

তারা নিজেরা রাতে মিষ্টি তৈরি করে সকালে একেবারে গ্রামীণ ধাঁচে খোলামেলা ভাবে দোকান দিয়ে বসেন বিভিন্ন হাট বাজারের রাস্তার ধারে। তারা নিজেরা মিষ্টি তৈরি ও নিজে মালিক হওয়ায় অল্প লাভে বিক্রি করেন এসব মিষ্টি। যা শহরের সুসজ্জিত দোকানের প্রায় অর্ধেক মূল্য। বিরামপুর শহরের গো-হাটি প্রধান রাস্তা ও হাটের ভিতরের অস্থায়ী দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বিক্রেতারা রসগোল্লা হাঁটি, জাম নাড়ু ১৮০ টাকা, মতিচুর লাড্ডু ১৮০টাকা, সন্দেশ ২০০ টাকা, ছানার জিলাপি ১৮০টাকা এবং শুকনো জিলাপি ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। এই ধরণের মিষ্টি শহরের সুসজ্জিত দোকানে অনেক বেশি দামে এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি করা হয়। একই রকমের কাঁচামাল দিয়ে তৈরি ধরনের মিষ্টান্নের দামে

নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বিরামপুর হাটে রাস্তার ধারের মিষ্টি দোকানিরা বলেন, তাদের বাড়ি বিভিন্ন গ্রামে। গ্রাম থেকে কম দামে দুধ কিনে নিজে তৈরি করেন মিষ্টি। তারা নিজেরাই বহন করে নিয়ে আসেন হাটে এবং নিজেই অস্থায়ী দোকান দিয়ে বসেন রাস্তার ধারে। সপ্তাহের প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বিরামপুর হাটে আসেন মিষ্টি বিক্রি করতে। দোকানিরা বলেন, শহরের সুসজ্জিত দোকানের মতো তাদের দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়না। তাই তারা মিষ্টি বিক্রি করতে পারেন অনেক কম দামে।

দাম কম হওয়ায় তাদের দোকানের বিক্রিও বেশ ভালো। এই সীমিত লাভ দিয়েই চলে তাদের সংসার। তবে,এসব খোলা দোকানের মিষ্টান্ন নিয়ে কিছু স্বাস্থ্য ঝুঁকিও রয়েছে। এব্যাপারে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. শাহরিয়ার পারভেজ বলেন, বিভিন্ন হাট বাজারে ও রাস্তার ধারে খোলামেলা ভাবে মিষ্টি বিক্রি করায় তাতে ধুলো ময়লা পড়ে এবং মশা-মাছি ও পিঁপড়া দ্বারা রোগ জীবাণুর প্রবেশ ঘটে। ঐ সব মিষ্টি খেলে ডায়রিয়া, কলেরা ও টাইফয়েডসহ অন্যান্য রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )