অভিযানকালে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নে ১১টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ৬টি শ্যালো মেশিন বিনষ্ট করা হয় এবং খালিশাচাপানি ইউনিয়নে ৫টি সিক্স সিলিন্ডার মেশিন ধ্বংস করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। এ সময় সহকারী কমিশনার(ভুমি) রওশন কবির উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবির ৬২জন সদস্য এবং ডিমলা থানা পুলিশের চৌকস একটি দল অভিযানে সহায়তা করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরানুজ্জামান বলেন, তিস্তা নদীর জীববৈচিত্র ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।