


সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭ জুন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। আসন্ন এই নির্বাচনে বিসিবি কাউকে হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল।
সাংবাদিকদের তামিম বলেন, ‘আমি আমার অধীনে যতটা পারি স্বচ্ছতা রেখে নির্বাচন করছি। ক্লাব নিয়ে অংশ নিচ্ছি। আজ জমা দিয়েছি। আপনারাও খোঁজ নিলে দেখবেন ক্রিকেট বোর্ড থেকে কোনো তদবির, অনুরোধ খুঁজে পাবেন না। ইলেকশন যতটা সম্ভব স্বচ্ছ যেন হয়, সবাইকে কঠোর বার্তা দেওয়া আছে।’ গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি বলেন, ‘প্রত্যেকবার নির্বাচন নিয়ে তো অনেক কথা থাকে। এইবারও যেমন তারা মনে করেন,আপনি এবং আপনার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে কথা বলেছেন। এইবার এখন পর্যন্ত কেউ আসেননি। যদিও নির্বাচন কমিশন তো আলাদা তবে আপনি যেহেতু দায়িত্বে আছেন, আমি যা করেছি নিজেকে এ জায়গা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিয়ে এসেছি। এখন এই জিনিসটা পুরাপুরি নির্বাচন কমিশনের ওপর। পার্থক্য এটাই যে আমি কোনো চিঠিতে স্বাক্ষর করছি না। কোনো কাউন্সিলরশিপ ফেরত দিচ্ছি না।’
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া। তামিমের পদত্যাগের গুঞ্জন শোনা গেলেও ৩০ এপ্রিল মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, তিনি পদত্যাগ করছেন না। পরবর্তীতে ৭ মে বিসিবিতে সংবাদ সম্মেলনে বিপিএলে ফিক্সিং ও ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক জটিলতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের ম্যাচের দিন তো বটেই, নিয়মিত মিরপুরে গিয়ে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন তামিম। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সবশেষ নির্বাচন হয়। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন সেই পর্ষদকে ভেঙ্গে গত ৭ এপ্রিল তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এই কমিটিকে তিন মাস সময় দেওয়া হয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন তামিম ইকবালরা।