1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
দেবীগঞ্জে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে ১৫ শতাংশ কমিশন আদায়ের অভিযোগ পিআইওর বিরুদ্ধে | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন

দেবীগঞ্জে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে ১৫ শতাংশ কমিশন আদায়ের অভিযোগ পিআইওর বিরুদ্ধে

দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ১৯ জন দেখেছেন

‎পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে ১৫ শতাংশ কমিশন বা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পক্ষে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে অর্থ লেনদেন ও কমিশন নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রায় ৪ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

‎ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কয়েকজন প্রকল্প সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের উপস্থিতিতে বাবুল চন্দ্র রায় বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দের পরিমাণ ক্যালকুলেটরে হিসাব করে কমিশনের অঙ্ক নির্ধারণ করছেন। এক পর্যায়ে তিনি ৮ টন গমের একটি প্রকল্পের হিসাব তুলে ধরে বলেন, “৩২ হাজার টাকা করে ৮ টন গম হলে মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এর ১৫ শতাংশ দিলে ৩৮ হাজার টাকা হয়।”

‎এ সময় সংশ্লিষ্ট এক ইউপি সদস্য কমিশনের পরিমাণ কিছুটা কমানোর অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “স্যার, ৩৮ হাজার টাকা একটু কম করে নেন। কাজেও তেমন লাভ হয়নি।” জবাবে পিআইও বলেন, “মেম্বারদের কোনো দিন লাভ হয় না। আমি এতদিন পিআইও হিসেবে কাজ করছি, কোনো মেম্বারকে বলতে শুনিনি যে তার লাভ হয়েছে।”

‎ভিডিওর আরেক অংশে দেখা যায়, একজন ব্যক্তি একটি টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করলে বাবুল চন্দ্র রায় ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ২৪ হাজার টাকা কমিশনের কথা বলেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট সদস্য শতভাগ কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানালে পিআইও বলেন, “আগে আপনাদের পরিষদে আসতে দেয়নি, এরপর থেকে আপনারাও আসতে দেবেন না, শোধবোধ।”

‎ভিডিওতে আরও শোনা যায়, একটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকল্পের বিপরীতে ১৮ হাজার টাকা এবং একাধিক প্রকল্প মিলিয়ে অন্য একজনের কাছে ৫৬ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। ভিডিওর শেষাংশে কয়েকজনকে টাকা গুনতে এবং বিভিন্ন ফাইলের সামনে অর্থ রাখতে দেখা যায়।

‎এ বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, “ওরা কাজ না করেই বিল নিতে এসেছিল। সে কারণেই এ ধরনের কথা হয়েছে।”

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, “বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি। জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

‎এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )