


রংপুরের পীরগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঐতিহ্যবাহী চতরা বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ জামে মসজিদের রাস্তা কেটে গাছ রোপণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জমির মালিকানা দাবি করে এ ঘটনা ঘটায় এলাকার প্রতাবশালী হিসেবে খ্যাত আশরাফুল সরকার ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। অভিযোগ জানা যায়,বিগত ১৯৯৯ সালে চতরা বিজ্ঞান ও কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময় জনৈক বজলার রহমান সরকারের কাছে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়।
কলেজের নামে পূর্ব-পশ্চিমে দৈর্ঘ্য ১’শ ৪৪ ফুট ও উত্তর-দক্ষিনে প্রস্থে ১’শ ফুট জায়গা ক্রয় পুর্বক বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে ২০০৪ সালে এমপিওভুক্ত হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে প্রতিপক্ষ আশরাফুল লোকজন নিয়ে রাস্তায় গাছ রোপণ করতে যায়। এ সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে আশরাফুলের লোকজন কলেজের সিসি ক্যামেরা, প্রধান ফটক, প্রাচীর ও অন্যান্য অবকাঠামো ভেঙ্গে ফেলে। শিক্ষার্থীরা ওই সময় আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে পড়লে অধ্যক্ষ আব্দুর রব প্রধান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পীরগঞ্জ থানার ওসিকে মুঠোফোনে অবগত করেন।
তাৎক্ষণিক পীরগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। অধ্যক্ষ আব্দুর রব প্রধান বলেন, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কলেজের জমি ও মসজিদের রাস্তা দখল করে গাছ রোপণ করেছে, যা আদালত অবমাননার শামিল। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি মসজিদে নামাজ আদায় করতে যেতে পারছেনা মুসল্লীরা। তিনি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা ১৯৬৭ সালে কবলা মূলে এই জমির মালিক। বাবার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে আমরা এই জমির মালিক। আমাদের জমিতে আমরা গাছ রেপান করেছি। এ ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।