1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পা‌নি বৃ‌দ্ধি, বন্যার শঙ্কা | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পা‌নি বৃ‌দ্ধি, বন্যার শঙ্কা

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৯ জন দেখেছেন
উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এসব নদ-নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে।

কোথাও সবজি ক্ষেত ও পাট ডুবে যা‌চ্ছে। দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বেড়ে ভাঙন তীব্র আকারে দেখা দিয়েছে। জেলার সব নদ-নদীর পানি বেড়ে তিস্তা-দুধকুমারে স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কু‌ড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে,উজানের ঢলে জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর মধ্যে ধরলা নদীর পানি তালুকশিমুলবাড়ি পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার,দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার,ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১ দশমিক ০৯ সেন্টিমিটার এবং তিস্তা নদী কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী,উজানের ঢলে ধরলা,তিস্তা,দুধকুমার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতলে বাড়ছে। এসব নদ-নদীর পানি সমতলে বেড়ে তিস্তা নদীর অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

রাজারহা‌টের বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য রাজিয়া বেগম বলেন,তিস্তা নদীর পানি কখনো বাড়ছে,আবার কখনো কমছে। তবে সোমবার রাত থেকে নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে চর বিদ্যানন্দ,চর তৈয়বখাঁসহ আশপাশের এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তুলনায় সরকারি সহায়তা খুবই কম। সোমবার মাত্র ৫০টি পরিবারকে জিআরের চাল দেওয়া হয়েছে।’

চর তৈয়বখাঁর কৃষক তোফায়েল হো‌সেন বলেন, ‘এর আগের দফায় তিস্তার পানি বেড়ে আমার মরিচক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখনও অনেক জমিতে পানি জমে আছে।

এরই মধ্যে সোমবার রাত থেকে আবারও নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে অবশিষ্ট ফসলও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন,উজানের ঢলে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন মোকাবেলায় অতিঝুঁকিপূর্ণ ছয় কিলোমিটার এলাকার মধ্যে চার কিলোমিটারে কাজ চলছে। বাকি দুই কিলোমিটারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )