এতে ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। পারাপারে অতিরিক্ত সময় অপেক্ষা করতে হওয়ায় পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে। এতে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি যাত্রীদেরও বাড়তি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসির) চিলমারী ফেরিঘাটের ইনচার্জ মো. আকিব সোহেল আকাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত (১৩ জুলাই) বিআইডব্লিউটিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. জিয়াউল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, ফেরি কুঞ্জলতার সার্ভে সনদ হালনাগাদ ও ডকিং মেরামতের লক্ষে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে নৌযানটিকে ডক-১ এ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রাপথে সব ধরনের নৌবিধি মেনে চলার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, সোনাহাট স্থলবন্দর থেকে পাথর নিয়ে আসা ট্রাকচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগেও ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। এখন একটি ফেরি কমে যাওয়ায় অপেক্ষার সময় আরও বেড়ে যাবে। এতে সময় যেমন নষ্ট হবে, তেমনি পরিবহন খরচও বাড়বে।’
অপর ট্রাকচালক আবদুল মান্নান বলেন, ‘এই রুটে এখন প্রতিদিনই গাড়ির চাপ অনেক বেশি। একটি ফেরি দিয়ে সব যানবাহন পারাপার করা কঠিন। দ্রুত ফেরিটি মেরামত করে ফিরিয়ে আনা অথবা বিকল্প ফেরির ব্যবস্থা করা উচিত।’
রেল, নৌ-যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নাহিদ হাসান বলেন,‘ চিলমারী-রৌমারী নৌপথে প্রতিদিন অসংখ্য পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করে। যেখানে যানবাহনের চাপ বিবেচনায় আরও একটি ফেরি বাড়ানোর প্রয়োজন, সেখানে বিদ্যমান একটি ফেরি সরিয়ে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা দুর্ভোগে পড়েছেন। দ্রুত বিকল্প ফেরি চালুর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।’
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন চিলমারী ফেরিঘাটের ইনচার্জ মো. আকিব সোহেল আকাশ জানান, ‘আজকে ফেরি কুঞ্জলতাকে আমাদের নিজস্ব ডকে পাঠানো হয়েছে। এটি মেরামত করতে আনুমানিক প্রায় দুই-তিন মাস সময় লাগবে। ফেরিটি ডকে পৌছানোর পরেই আমরা বিকল্প ফেরির জন্য আবেদন জানাবো।