1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ফুলবাড়ীতে বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার, ভোগান্তিতে শতাধিক শিক্ষার্থীসহ ৬৫ পরিবার | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন

ফুলবাড়ীতে বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার, ভোগান্তিতে শতাধিক শিক্ষার্থীসহ ৬৫ পরিবার

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯৩ জন দেখেছেন
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী গোরকমন্ডল নামাটারী এলাকায় একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শতাধিক শিক্ষার্থীসহ ৬৫টি পরিবারের মানুষ।
দীর্ঘদিন ধরে এই সাঁকোটিই তাদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হলেও স্থায়ীভাবে চলাচলের উপযোগী করতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধরলার একটি শাখা ছড়ার ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি বেশ নড়বড়ে। ঝুঁকি নিয়েই সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে কৃষক, শ্রমজীবীসহ এলাকার বাসিন্দারাও প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় কাজে সাঁকোটি ব্যবহার করছেন।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে ছড়ায় পানি বাড়লে সাঁকো পারাপারের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনার শিকার হন শিশু ও শিক্ষার্থীরা। এতে সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে উদ্বেগে থাকেন অভিভাবকেরা।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকিপূর্ণ এই পারাপার ব্যবস্থা দ্রুত সংস্কার করে একটি টেকসই বাঁশের সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হোক। এতে শিক্ষার্থীসহ ৬৫টি পরিবারের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে।
স্থানীয় বাসিন্দা শহিত মিয়া বলেন, “এই দুর্ভোগ আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। কয়েকদিন আগে আমার দুই নাতনি সাঁকো দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় পড়ে গিয়ে বই-খাতা ও পোশাক ভিজিয়ে ফেলে। ভাগ্য ভালো, বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তিনি দ্রুত একটি টেকসই বাঁশের সাঁকো নির্মাণের দাবি জানান।
নুর ইসলাম মুন্সিসহ  কয়েকজন স্থানীয়রা জানান, ধরলার শাখা ছড়াটি পার হয়েই ৬৫টি পরিবারের মানুষকে চলাচল করতে হয়। বর্ষাকালে পানির পরিমাণ বেড়ে গেলে অনেক সময় ছোট ডিঙি নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়। প্রায় দেড় থেকে দুই মাস আগে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে বর্তমান বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করেছেন। দিনে কোনোভাবে পারাপার সম্ভব হলেও রাতে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
তারা বলেন, “শতাধিক শিক্ষার্থীসহ ৬৫টি পরিবারের প্রতিদিনের এই দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই। এখানে বড় সেতু নির্মাণ সম্ভব না হলেও সরকারি বরাদ্দে একটি টেকসই বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলে আমাদের যাতায়াতে অনেকটা স্বস্তি ফিরবে।
ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শ্যামল চন্দ্র মন্ডল বলেন, গোরকমন্ডল নামাটারী এলাকার ৬৫টি পরিবারের যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বাঁশের নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও বয়স্কদের চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সিরাজ দৌল্লা বলেন, এই মুহূর্তে কোনো বরাদ্দ নেই। সামনে বরাদ্দ পাওয়া গেলে সেখানে ভালো মানের একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )