নাওডাঙ্গা এলাকার গাছি হারুন অর রশিদ ও কুরুষাফেরুষা এলাকার গাছি রেজাউল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন গাছি জানান, গাছ কাটা, রস জ্বালানো ও গুড়, পাটালি তৈরির উপকরণ খড়সহ বিভিন্ন উপকরণের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর গত বছরের তুলনায় খেজুরের রস, গুড় ও পাটালির দাম দ্বিগুণ হবে। এই গাছি শীত আসা মাত্র স্থানীয় কৃষকদের খেজুর গাছ কন্টাক নিয়ে গুড় উৎপাদন করে লাভবান হয়।
প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা: নিলুফা ইয়াছমিন জানান, খেজুর গাছের কোন বাগান নেই। উপজেলায় জুড়ে সড়ক, পুকুর পাড় ও বাড়ির উঠানে খেজুর গাছ রয়েছে। তবে দিন দিন খেজুর গাছের সংখ্যা কমছে। কৃষি বিভাগ বিভিন্ন সময় দেশি খেজুর গাছ ও সৌদি খেজুর রোপনে উদ্বুদ্ধ করা হয়। খেজুরের রস খুব সু-মিষ্টি। তা ছাড়া রস থেকে খেজুরের যে পাটালি গুড় তৈরি করা হয় তা মানুষের কাছে ভীষণ পছন্দের।