বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৮ টি লিচু গাছের মধ্যে ১৭ টি লিচুর গাছ কাটা অবস্থায় পরে আছে। এ সময় কৃষক শ্রী অমুল্য চন্দ্র বর্মন বলেন, আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক। শখের বসে লিচু বাগান করেছি। কিন্তু কে বা কারা শত্রুতা করে আমার লিচু বাগানের ১৮ টি লিচু গাছের মধ্যে ১৭ টি গাছ কেটে ফেলেছে। গাছগুলো কেটে ফেলা আমার অপুরনীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর তদন্ত কর্মকর্তা ঘোড়াঘাট থানার এএসআই পরিতোষ এসে তদন্ত করে গেলেও এখনো কোনো অগ্রগতি দেখছিনা। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।
প্রত্যক্ষদর্শী একই গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিনের পুত্র মামুনুর রশিদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, রাতের আঁধারে কে বা কারা গাছ কেটে রেখে গেছে তা জানিনা। সকালে বাগানে এসে দেখি ১৮ টির মধ্যে ১৭ টি গাছ কাটা।
লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হক জানান, ঘটনাটি খুবই ন্যাক্কারজনক। এখনো তদন্ত চলমান। কারন হিসাবে অফিসার ইনচার্জ বলেন, অভিযোগকারী সুনির্দিষ্ট কাউকে অভিযুক্ত করেনি। আমরা গোপনীয়ভাবে তদন্ত চালাচ্ছি। আশাকরি দ্রুত তদন্ত শেষ করে বিষয়টির ব্যবস্থা নিতে পারবো।