1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
দাঁত পরিষ্কার করতে ইলেকট্রিক ব্রাশ কি বেশি কার্যকর? | দৈনিক সকালের বাণী
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন

দাঁত পরিষ্কার করতে ইলেকট্রিক ব্রাশ কি বেশি কার্যকর?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১ মার্চ, ২০২৫
  • ৬৪০ জন দেখেছেন

দাঁত পরিষ্কার করতে ব্রাশের তুলনা নেই। কিন্তু এই কাজটি করতে খানিকটা পরিশ্রমও করতে হয়। যারা আরামসে দাঁত মাজতে চান তাদের জন্য বহু আগেই বাজারে এসেছে ইলেকট্রিক ব্রাশ। এই বৈদ্যুতিক ব্রাশ দিয়ে খুব বেশি জোরও খাটাতে হচ্ছে না। অথচ, মিনিটখানেকের মধ্যেই দুই পাটি দাঁত একেবারে মাজাঘষা করে সাফ হয়ে যাচ্ছে।

 

এ যেন অনেকটা ফুলঝাড়ুর ঝাঁটা থেকে ভ্যাকিউম ক্লিনারে উত্তোরণ! ঘরের যে কোণে ঝাঁটার ডগা পৌঁছাতে পারে না, সেখানে ‘নাক না গলিয়ে’ও ভ্যাকিউম ক্লিনার কিন্তু ধুলাময়লা টেনে বের করে আনে। কিন্তু দাঁত বা মুখগহ্বরের ক্ষেত্রে কি একই রকম ভাবে পাওয়ার টুথব্রাশ কাজ করতে পারে?

bruch-ic

চিকিৎসকদের একাংশ মনে করছেন, পারে। দাঁত মাজার তো নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে। অনেকেই তা মেনে চলেন না। দুই বেলা দাঁত মাজতে হয়, তাই মাজেন। সে দিক থেকে ব্যাটারিচালিত এই ব্রাশ নিজের মতো কাজ করতে পারে। তবে সাধারণ কর্মক্ষম মানুষের এই ধরনের ব্রাশ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করছেন দন্ত্যচিকিৎসকরা।

তাদের ভাষ্য, শিশুদের প্রতি দিন দাঁত মাজাতে গিয়ে অভিভাবকদের রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। এমন একটি জিনিস দিয়ে খেলার ছলে যদি দাঁত মাজিয়ে নেওয়া যায়, তা হলে মন্দ হয় না। তবে যন্ত্রচালিত ব্রাশের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়া একেবারেই ঠিক নয়। অর্থাৎ, নিজের মতো করে দাঁত মাজতে পারা এবং তাতে অভ্যস্ত থাকা জরুরি বলেই মনে করেন চিকিৎসক।

brush

পাওয়ার ব্রাশ ব্যবহার করা কি তা হলে এক রকম হুজুগ?

দাঁত মাজার ব্যাটারিচালিত ব্রাশ নিয়ে এখন মাতামাতি হচ্ছে ঠিকই। তবে ইতিহাস বলছে, এ জিনিসের আবির্ভাব প্রায় ৯০ বছর আগে। দাঁত মাজতে ভালো না লাগার ব্যামো তো নতুন নয়। দিনের বেলা তবু এক রকম। কিন্তু রাতে খাওয়াদাওয়ার পর ভুঁড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে বিছানার দিকে না গিয়ে দাঁত মাজতে যাওয়া তো আরও বিরক্তিকর। খুঁজলে এমন মানুষও পাওয়া যাবে, যারা নাকি দাঁত মাজতেই ভুলে যান। তবে যাদের দাঁত মাজার মতো শক্তি নেই তাঁদের জন্য এই ব্রাশটি কাজের।

 

পাওয়ার ব্রাশ যে সকলের জন্য ভালো, এমনটা কিন্তু নয়। এই ধরনের ব্রাশ ব্যবহার করে দাঁত চমকাতে গিয়ে মাড়ির ক্ষতি হতে পারে। দন্ত্যচিকিৎসকদের মতে, কারও যদি মাড়িতে পায়োরিয়া, জিনজিভাইটিসের মতো সমস্যা থাকে, সে ক্ষেত্রে পাওয়ার টুথব্রাশ ব্যবহার করা যাবে না। কারণ, এই ধরনের ব্রাশ নির্দিষ্ট গতিতে মুখের নানা দিকে ঘোরে। দাঁতে বা মাড়িতে কোথাও ব্যথা আছে কি, না সে তো জানে না। কতটা চাপ দিতে হবে, তা বোঝার ক্ষমতাও যন্ত্রটির নেই। তা ছাড়া, দাঁতের উপর যে এনামেলের পরত থাকে, তাও নষ্ট হতে পারে পাওয়ার ব্রাশ ব্যবহারে।

teech

‘ওল ইজ গোল্ড’ বলে একটা কথা প্রচলিত। দাঁত মাজার ব্রাশের ক্ষেত্রে এই কথাটি ততটাই প্রযোজ্য। চিকিৎসকেরা বলছেন, কোনও কাজে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া ভালো। কিন্তু তার উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়া একেবারেই কাজের কথা নয়। তাছাড়া, পাওয়ার ব্রাশ তো নিয়ম করে চার্জ দিতে হয়। দাঁত মাজতে মাজতে হঠাৎ যদি চার্জ ফুরিয়ে যায়, তখন কি আর দাঁত না মেজে বসে থাকবেন? সেই পুরনো পন্থাতেই ফিরে আসতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )