বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মারজান বেগম জানান, ছুটির কারণে বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে কে বা কারা বিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশ করে আম, কাঁঠাল ও শিমুলসহ পাঁচটি গাছ কেটে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ হাজার টাকা।
পরদিন সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি দেখতে পান তিনি। স্থানীয় সাক্ষী মো. আব্দুল গণি ও মোছাঃ সাহেবজান কান্দুরীসহ কয়েকজন এলাকাবাসীও ঘটনাটি নিশ্চিত করেন। তবে গাছগুলোর সন্ধান করতে গিয়েও তারা ব্যর্থ হন। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন প্রধান শিক্ষক। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “যদি দোষীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে বিদ্যালয় আরও বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।”
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বুলবুল আহমেদ বলেন, এমন দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি।
গংগাচড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল এমরান বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, প্রধান শিক্ষকের ভাষ্যমতে, বিদ্যালয় চত্ত্বর থেকে যদি ১২: ০০ থেকে বিকেল ৪:০০ টায় গাছ কেটে নিয়ে যায় তাহলে চোরকে চিহ্নিত করা যেমন কঠিন হওয়ার কথা নয়, তেমনি তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ ও বিলম্বিত হওয়া উচিত নয়।এমন চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, যদি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার বিষয়টি এত গুরুত্বহীন হয়ে পরে, তাহলে ব্যাক্তির নিরাপত্তার বিষয়টি আশঙ্কাজনক। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে বিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানো জরুরি।