


প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম বলেছেন, রংপুর বিভাগের পাঁচটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণের জন্য গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণের আওতায় আনা হবে। ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এসব স্থানের সংরক্ষণে অনুসন্ধান, জরিপ ও খনন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
গতকাল শনিবার রংপুরের তাজহাট জমিদার বাড়িতে রংপুর জাদুঘর আয়োজিত ‘রংপুর জাদুঘর: বাস্তবতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সাবিনা আলম বলেন, আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা নতুন প্রত্নস্থলের প্রতিবেদন প্রস্তুত করছেন। পাশাপাশি জমি-সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সংগ্রহ করে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সারাদেশে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোতে অনুসন্ধান, জরিপ এবং খনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এ অঞ্চলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। রংপুরে যেসব প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সংরক্ষণের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর আগে তাজহাট জমিদার বাড়ির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খৃষ্টফার হিমেল রিছিল।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুল ইসলাম, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রাজশাহী আঞ্চলিক পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান এবং রংপুর আঞ্চলিক পরিচালক ড. আহমেদ আব্দুল্লাহ। সেমিনারে রংপুর অঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোর সংরক্ষণ ও উন্নয়নে অধিদপ্তরের চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে দর্শনার্থী, টুরিস্ট পুলিশ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।