1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
নীলফামারী সদর উপজেলাকে বাল্য বিবাহ ও শিশু শ্রম মুক্ত গড়ার ঘোষণা | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন

নীলফামারী সদর উপজেলাকে বাল্য বিবাহ ও শিশু শ্রম মুক্ত গড়ার ঘোষণা

নীলফামারী অফিস
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ জন দেখেছেন

নীলফামারী সদর উপজেলাকে বাল্য বিবাহ, শিশু শ্রম ও বিদ্যালয় থেকে ঝড়ে পড়া শিশু মুক্ত উপজেলা গড়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। গতকাল ‎‎সোমবার সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, নিকাহ রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নীলফামারী এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেশন অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার অনুকুল চন্দ্র বর্মণ। সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম নুরুল আমিন শাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি আব্দুর রউফ, নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, নটখানা জামে মসজিদের ইমাম রমজান আলী এতে বক্তব্য দেন।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের শিশু ফোরামের সদস্য ঝুমা আক্তার ও কবীর হাসান সোহাগ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। ঘোষণা অনুষ্ঠানে বাল্য বিবাহ, শিশু শ্রম এবং বিদ্যালয় হতে ঝরে পড়া শিশু মুক্ত উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে পরিচালিত কার্যক্রম উপস্থাপন করেন আয়োজক সংস্থার টেকনিক্যাল স্পেশালিষ্ট তাহমিদুর রহমান। এতে জানানো হয়, জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা, সচেতনতা মুলক কার্যক্রম, ইউনিয়ন পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটি পুর্নগঠন, ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয় প্রতিশ্রুতি ঘোষণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নীলফামারী এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেশন অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার অনুকুল চন্দ্র বর্মণ জানান, আমরা ১৬টি বাল্য বিয়ে বন্ধ করেছি, ৫৪জন শিশুকে স্কুল মুখী করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই এই উপজেলায় একটিও বাল্য বিবাহ আর না হোক, কোন শিশু স্কুল থেকে বঞ্চিত না হোক। এজন্য আজকে থেকে সক্রিয় ভাবে সকলকে কাজ করতে হবে। নিজের বাল্য বিবাহ ঠেকানো অনন্যা দাস ও ঝরে পড়া থেকে আবারো স্কুল মুখী হওয়া নিক্সন ইসলাম অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, বাল্য বিবাহ-শিশু শ্রম ও ঝরে পড়ার কুফল সমন্ধে আমরা সবাই জানি। পরিবার থেকে সচেতনতা সৃষ্টি হলে বাল্য বিবাহ-শিশু শ্রম কিংবা ঝরে পড়া থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

আমরা আজকে অঙ্গিকার করি যেন নীলফামারী সদর উপজেলাকে শুণ্যের কোটায় নিয়ে আসা যায়। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নীলফামারীর আয়োজনে ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এই ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )