ভুক্তভোগী মোঃ মাহিম আলম ও তার পরিবার দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মাহিম আলমের পিতা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ২০১০ সালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কেয়ারীগাঁও এলাকায় ৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মোঃ সহিদুল ইসলাম (৪৮), মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ওরফে সিয়াম (৫৫), মোঃ আবু সাঈদ (৪৫), মোঃ মাজিদুল ইসলাম (৪৪), মোঃ চান মিয়া (৪৪), মোছাঃ আসমা খাতুন (৫০) এবং আরও ৫-৭ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন।
মোঃ মাহিম ইসলাম এর অভিযোগ , আসামিরা তাদের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে দেশীয় অস্ত্রসহ আসামিরা তাদের বাড়িতে হামলার চেষ্টা চালান। তারা বাড়িতে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন।
মামলার নথিতে জমির মালিকানার ইতিহাস তুলে ধরে মাহিম বলেন, জমিটি মূলত জীবন চন্দ্র দাস চৌধুরী ও ক্ষিতিশ চন্দ্র দাস চৌধুরীর ছিল। পরে বিভিন্ন হাত ঘুরে ১৯৮০ সালে আবু বক্কর সিদ্দিকের পিতা আঃ রউফ ও ছফুরা খাতুন এটি ক্রয় করেন। এরপর থেকে তারা সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, জমি দখলের পাঁয়তারা ও চাঁদাবাজির ঘটনায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা অবিলম্বে আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই জমিটি আমাদের বাপ-দাদার ছিল। ১০ সালের দিকে তারা দখল করে নেয়। এই জমিটি মূলত আমাদের। হামলার বিষয় তিনি অস্বীকার করে বলেন আমরা এই ধরনের কোন হামলা করিনি।