চৌধুরীহাট বাজারে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেন। তাদের দাবি, শরীফা বেগম দীর্ঘদিন ধরে সমাজের প্রতিষ্ঠিত ও সম্মানি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে হয়রানি করে আসছেন। এসব প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আহবান জানিয়েছেন। পাশাপাশি এলাকাবাসী প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, যদি প্রশাসন এই প্রতারকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ দূর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে এলাকা ছাড়া করা হবে।
প্রতিবাদে উত্তাল এলাকাবাসীর মধ্যে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ডেকোরেটর ব্যবসায়ী সবুজ বলেন, “শরীফা বেগম প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করে নিরীহ মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করছেন। তার কারণে অনেকেই আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ইতোমধ্যে ব্যবসায়ী, ইউপি সদস্য সহ অনেকেই তার কাছে হেনস্তার স্বীকার হয়েছেন। আমরা চাই, তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।অন্যথায় চৌধুরীরহাটবাসী দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে দুশ্চরিত্রা শরীফাকে আমরা এই এলাকা থেকে উৎখাত করা হবে।
অন্য এক প্রতিবাদকারী বলেন, ” চৌধুরীর হাট এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতারক শরীফা ও তার সহযোগীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা জরুরি। শরীফা এই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নন। সে এখানে বসবাস শুরু করার পর থেকে নানা ধরনের অসামাজিক কার্যক্রম করে আসছে। আমরা চাই, প্রশাসন দ্রুত এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিক।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শরীফা বেগমের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি । তবে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, “বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।”
এলাকাবাসী মনে করেন, এলাকবাসীর সচেতনতা ও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপই কেবল এই প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে পারে। তারা আশা করছেন, দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে আর কেউ এমন প্রতারণার শিকার না হন।