1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
মধ্যপাড়ায় পাথর উৎপাদন ও উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন

মধ্যপাড়ায় পাথর উৎপাদন ও উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৫ জন দেখেছেন

বিস্ফোরকের অভাবে চারদিন উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজ বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের পার্বতীপুরে দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ পাথর খনি মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল) থেকে পাথর উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (০১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টা থেকে খনি ভূ-গর্ভে পাথর উত্তোলনের আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম শুরু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী ডিএম জোবায়েদ হোসেন। বিস্ফোরকের অভাবে চারদিন উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজ বন্ধ থাকার পর পাথর খনিতে কর্মচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে। খনি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জিটিসি’র অধীনে কর্মরত প্রায় ৮০০ শ্রমিক-কর্মচারীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

জানা গেছে, খনি ভূগর্ভে পাথর উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক সংকটে পড়ে গত ২৮ আগস্ট সকাল থেকে পাথর উত্তোলন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ হয়। খনিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছিল। এর আগে, বিস্ফোরক এমোনিয়াম নাইট্রেট সংকটের কারণে ২০১৪ সালে ২২ দিন, ২০১৫ সালে ২ মাস, ২০১৮ সালের জুন মাসে ৭ দিন এবং ২০২২ সালের ১২ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত ১৫ দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল। বিস্ফোরক এমোনিয়াম নাইট্রেট সংকটে পড়ে গত চারদিনে খনি বন্ধ থাকায় সরকার রাজস্ব হারিয়ে প্রায় ৬ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে, খনি উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে গিয়ে বেলারুশের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া-ট্রেষ্ট কনসোটিয়াম জিটিসিকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।

সূত্রমতে, মধ্যপাড়া খনির ভূগর্ভে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাথর উত্তোলন করা হয়। এমোনিয়াম নাইট্রেট, ইমালশনসহ বিস্ফোরণ কাজে ব্যবহৃত অন্যান্য মালামালের পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।
মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সৈয়দ রফিজুল ইসলাম জানান, পাথর উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত অন্যতম প্রধান উপাদান বিস্ফোরক খনিতে এসে পৌঁছায় পাথর উত্তোলন শুরু হয়েছে। খনি কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভারত থেকে আমদানি করা এসব মালামাল সোমবার সকালে বিস্ফোরক খনিতে পৌঁছেছে। এসমস্ত মালামাল দিয়ে আগামী ৪ মাস নিরবচ্ছিন্ন খনি পরিচালনা করা যাবে। বছরে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার বিস্ফোরক প্রয়োজন হয়।

খনি কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভারত ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করে পাথর উৎপাদন সচল রাখে। বর্তমানে খনির ইর্য়াডে ১২ লাখ মে.টন মজুদ রয়েছে।
এব্যাপারে মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী ডিএম জোবায়েদ হোসেন জানান- সকাল থেকে পাথর উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি। তিন শিফটে পূর্ণমাত্রায় গড়ে প্রতিদিন ৫ হাজার মে.টন পাথর উত্তোলন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )