1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পীরগঞ্জে সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজ চাকুরিচ্যুত অনার্স শিক্ষকেরা ডিগ্রি শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন

পীরগঞ্জে সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজ চাকুরিচ্যুত অনার্স শিক্ষকেরা ডিগ্রি শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩০৭ জন দেখেছেন

সরকারি শাহ আব্দুর রউফ কলেজের রেজ্যুলেশনে জালিয়াতি করে নাজিয়া পারভীন এবং দীপনকর রায় অনার্সের (উদ্ভিদ বিদ্যা) শিক্ষক নিয়োগ নিতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন। চাকরি বহাল করতে তারা হাইকোর্টে মামলা করলেও কোর্টের আদেশেই শিক্ষা মন্ত্রনালয় তাদেরকে চাকুরীচ্যুত করেছে। এতে ক্ষুব্ধ চাকুরীচ্যুত নাজিয়া পারভীন কলেজের ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষক শাহ্ মো: সোয়েব মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করায় ওই শিক্ষক বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।
মামলা, অভিযোগ এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের সুত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলা সদরের শাহ আব্দুর রউফ কলেজটি ২০১৮ সালে সরকারিকৃত হয়। কলেজটিতে ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে ৯ টি বিষয়ে অনার্স খুলে এমপিওভুক্তি না হওয়ার শর্তে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেয়। এরপর কলেজটি ২০১৮ সালে সরকারিকরণ হলে কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল কাগজপত্র শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে জমা দেয়। অথচ ওই নিয়োগের রেজ্যুলেশনের একটি পৃষ্ঠায় ওভার রাইটিং করে (টেম্পারিং- পরিবর্তন) ২০১৪ সালে দীপংকর রায় এবং মোছা. নাজিয়া পারভীন উদ্ভিদ বিদ্যার প্রভাষক দাবী করেন।

পাশাপাশি তারা শিক্ষক হতে হাইকোর্টে রীট পিটিশন করলে বিষয়টি আইন মোতাবেক নিষ্পত্তির জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে আদেশও দেয়। পরে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ- ৫ শাখার উপসচিব তানজিলা খানমের স্বাক্ষরে উল্লেখিত দুই প্রভাষককে চাকুরীচ্যুত করা হয়। কারণ হিসেবে জানা গেছে, আগে ও পরে জমা দেয়া রেজ্যুলেশনে বিষয়টি যাচাই-বাছাইয়ে ধরা পড়ে। সেইসাথে কলেজের নিয়োগ কমিটি উল্লেখিত দু’জনকে সুপারিশ না করায় তারা চাকুরিচ্যুত হন। সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে প্রজ্ঞাপনভুক্ত হতে উল্লেখিত নাজিয়া পারভীন এবং দীপন্কর রায় টেম্পারিং করা রেজ্যুলেশনটি দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে আবেদন করেন। আবেদন দুটি যাচাই-বাছাইয় শেষে কাগজপত্রে ত্রুটি এবং মন্ত্রণালয়ে জমাকৃত রেজ্যুলেশনের সাথে আগের রেজ্যুলেশনের গড়মিল পাওয়ায় তাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

অপরদিকে কলেজটিতে ডিগ্রি পর্যায়ে শুন্য পদে যথাযথ নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষে উদ্ভিদ বিদ্যায় শিক্ষক হিসেবে শাহ্ মো. সোয়েব মিয়া ২০১৫ সালের ২৪ জুন যোগদান করেন। পরে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সুপারিশের প্রেক্ষিতে ২৪/৭/২০২৪ ইং তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শারমিন আক্তার জাহান এর স্বাক্ষরে উদ্ভিদ বিদ্যায় একটি পদসৃজনও করা হয়। ডিগ্রির শিক্ষক শোয়েব মিয়ার (উদ্ভিদ বিদ্যা) বিরুদ্ধে চাকুরী বঞ্চিত ওই দু’জন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ এবং হাইকোর্টে মামলা করেছেন। এ ব্যাপারে চাকুরী বঞ্চিত নাজিয়া পারভীন বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক সোয়েব মিয়া। জনবল কাঠামোর বাইরে হওয়ায় আমি মামলা করেছি। তিনি আরও বলেন, কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ রাশেদুন্নবী চৌধুরী রেজ্যুলেশনে আমাদের নাম তুলতে ভুলে যাওয়ায় তিনি পুনরায় রেজ্যুলেশনের ভিতরে লিখে আমাদেরকে উদ্ভিদ বিদ্যার শিক্ষক দেখিয়েছেন।

আমরা রেজ্যুলেশনের পরিবর্তন করিনি। উল্টো সোয়েব মিয়ার রেজ্যুলেশনে তাকে ডিগ্রির শিক্ষক দেখানো হয়েছে। ভোগান্তির শিকার সোয়েব মিয়া জানান, ডিগ্রিপর্যায়ে শুন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর বিধি মোতাবেক আমি নিয়োগপত্র পেয়ে যোগদান করেছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদসৃজনও হয়েছে। কিন্তু মামলার কারণে বেতন-ভাতা পাচ্ছি না। অনার্সের দুজন শিক্ষক আমাকে পদে পদে হয়রানি করছে। কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক সরকার বলেন, কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যার প্রভাষক নিয়ে মামলা চলমান থাকায় আমি কোন মন্তব্য করতে পারবো না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )