


মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা(ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ফয়সাল করিম এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে পলায়নের বিষয়ে সার্বিক সহায়তা করেন আসামি তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। বাপ্পী পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৬নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত কমিশনার (কাউন্সিলর) ছিলেন। আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং হাদির পূর্ববর্তী বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

হাদি হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশদাতার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাইজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে হত্যা করা হয় ওসমান হাদিকে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র দিয়েই গুলি করা হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা অস্ত্রের ফরেনসিক করেছিলাম। এই অস্ত্র ব্যবহার করেই তারা হাদিকে গুলি করে হত্যা করেছিল।”
সম্প্রতি মূল অভিযুক্ত ফয়সালের ভিডিও ও সর্বশেষ অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ফয়সালের ভিডিওর ফরেনসিক করা হয়েছে। ভিডিওটি সঠিক, কিন্তু তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভারতে আরও কয়েকজন আটক হওয়ার বিষয়টি ভারতীয় পুলিশ অস্বীকার করেছে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, “আমাদের কাছে তথ্য আছে যে তারা সেখানে গ্রেপ্তার হয়েছিল। তবে বর্তমানে তাদের বিষয়ে আমরা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না।”