উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হরিশ্বর এলাকায় পিআইসি’র মাধ্যমে ৬৩ মিটার রাস্তা নির্মাণে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। স্টিমেট অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ইট ব্যবহারের কথা থাকলেও সেখানে দ্বিতীয় শ্রেণির (সেকেন্ড ক্লাস) ইট ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পায়। পরে ব্যবহৃত নিম্নমানের ইট অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা সেকেন্ড ক্লাস ইট সরিয়ে স্টিমেট অনুযায়ী মানসম্মত সামগ্রী দিয়ে পুনরায় কাজ শুরু করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মহির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
রাস্তার কাজে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, “ছুটির দিনে অফিসকে না জানিয়ে কাজ করা হয়েছে। আমাদের উপসহকারী প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। কোনো নিম্নমানের কাজ অনুমোদন দেওয়া হবে না।”
এদিকে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অনিয়ম না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।