জেলা সদরের দশটি পাম্প ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ পাম্পই বন্ধ। কোনটিতে দেয়া হয়নি তেল। বিকেলের দিকে ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনে ২হাজার লিটার পেট্রোল দেয়া হয় যানবাহনে।
টুপামারী ইউনিয়নের রামগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা সোহাগ ইসলাম বলেন, আমি কয়েকটি পাম্প ঘুরে তেল পাইনি। বিকেলের দিকে ভাই ভাই পাম্পে দেয়া হচ্ছিলো পেট্রোল। তবে ৫শতাধিক মোটর সাইকেলের ভীড় ছিলো সেখানে। কষ্ট করে ১’শ টাকার তেল নিতে পেরেছি।
সদরের মুক্তা ফিলিং স্টেশের স্বত্বাধিকারী মাহমুদ চৌধুরী নবাব বলেন, পরিস্থিতি সংকটের দিকে যাচ্ছে। তেল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ তেলের জন্য ভীড় করছেন। ২হাজার লিটার তেল পাওয়া গেলেও তা দিয়ে চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না।
পেট্রোল পাম্প ওনার্স এ্যাসোসিয়েশন নীলফামারীর সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক বলেন, আমরা চরম বিপাকে পড়েছি। ডিপো থেকে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। দৈনিক ১০-১৫ হাজার লিটার পেট্রোলের প্রয়োজন হলেও পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২ হাজার লিটার। অনেক পাম্পে আক্রমনের শিকার হচ্ছেন মালিকরা।
এদিকে রবিবার রাতে জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের সুমাইয়া ফিলিং স্টেশনে বোতলে তেল নেয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে দুই পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে।
তেল নিতে যাওয়া শহরের বারইপাড়া এলাকার তৈয়ব আলী সরকার বলেন, তেল সংকটের কারণে আজ মোটর সাইকেল বের করিনি। বিকেলে ভাই ভাই ফিলিং স্টেশনে গিয়ে সহ¯্রাধিক মোটরসাইকেলের ভীড় দেখে তেল না নিয়ে ফিরে আসি।
পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, পেট্রোল পাম্প গুলো আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা মালিকদের সাথে মিটিং করছি। সমস্যা সমাধানে।