1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
তেঁতুলিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের  | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন

থানায় অভিযোগ: তেঁতুলিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের 

তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ১৮ জন দেখেছেন
​পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের ডেমগছ এলাকায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রশি দিয়ে বেঁধে পৈশাচিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম বেলায়েত হোসেন (৮৫)। তাকে উদ্ধার ও ন্যায়বিচারের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তার ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান।
​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলায়েত হোসেনের ছেলে মিজানুর রহমানের সাথে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের পারিবারিক কলহ চলছিল। মঙ্গলবার (০৫ মে) সকাল ১০টার দিকে বেলায়েত হোসেন তার নাতনি মালিহাকে দেখার জন্য ডেমগছ এলাকায় বিবাদীগণের বাড়িতে যান।
​সেখানে পৌঁছানো মাত্রই বিবাদী মো. আইনুল হক (৫৫), মোঃ রবি (২৫), মোঃ ভুট্টু (৫৫) ও মোছাঃ মাজেদা বেগমসহ অন্যান্যরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। বৃদ্ধ বেলায়েত হোসেনকে তারা একটি নাইলনের রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে বাড়ির আঙিনায় ফেলে রাখে এবং বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথারি মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর ফুলা ও কালশিরা জখম হয়।
​বাদী মিজানুর রহমান জানান, নির্যাতনের এক পর্যায়ে বিবাদীগণ ঘর থেকে বটি, ধারালো দা ও কুড়াল বের করে এনে ৮৫ বছর বয়সী ওই মুক্তিযোদ্ধাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। স্থানীয় প্রতিবেশীদের মারফত খবর পেয়ে মিজানুর রহমান দ্রুত থানা পুলিশের দ্বারস্থ হলে।পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বিবাদীগণের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া সদার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
​ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোঃ জাকারিয়া (৪৫) ও মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৩) সহ আরও অনেকে রয়েছেন।পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আজ থানায় হাজির হন মিজানুর রহমান।
​তেঁতুলিয়া মডেল থানা অফিসার্স ইনচার্জ লাইসুর রহমান জানান, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )