উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন থেকে মোট ২,১৬৮ জন কৃষক ধান বিক্রির জন্য আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে কর্তৃপক্ষ ২১৬৮জন কৃষককে অনুমোদন প্রদান করে।
এরপর অনুমোদিত কৃষকদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ৪১৭ জন প্রকৃত কৃষককে নির্বাচিত করা হয়। যারা সরকার নির্ধারিত মূল্যে সরাসরি ধান বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। লটারি পরিচালনা করেন রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ্ তানজিলা তাসনিম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার সামছুন্নাহার সাথী, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোসাঃ মাসুদা বেগম, ওসিএলএসডি হুমায়ুন কবির, রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মামনুর রশিদ, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রহমত আলী, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম ও সদস্য সচিব সাহিদুল ইসলাম, জামায়াতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আহম্মদ আলী, সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস, প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, আসাদুজ্জামান আসাদসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ও কৃষকরা ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি সরকারি গুদামে ১২৫০ মেট্রিক টন ধান কৃষকের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যে নীতিমালা মোতাবেক ক্রয় করবেন। এবার এ মৌসুমে সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং আতপ চাল ৪৮ টাকা দরে ক্রয় করা হবে। প্রতিজন কৃষক সব্বোর্চ ৩ মেট্রিক টন ধান দিতে পারবেন।