মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন, ফুলছড়ি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম আকন্দ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, এইচ,এম সোলায়মান শহীদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির উপজেলা সদস্য সচিব জাহিদ হাসান জীবন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আবুল খায়ের, নিহতের স্ত্রী পারুল বেগম, ভাই আব্দুল হালিম ও চাচা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
বক্তারা বলেন, নিজ ঘরে ঢুকে একজন মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনা পুরো এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত গোলাম হোসেনকে এখনও গ্রেফতার করা হয়নি। বক্তারা অভিযুক্ত গোলাম হোসেক দ্রুত গ্রেফতার করে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। এসময় তারা প্রশাসনকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা না হলে ফুলছড়ি থানা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার কেতকিরহাট মাঝিপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় শাহ জালাল মিয়াকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় শাহ জালাল মিয়া বারান্দা-সংলগ্ন কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর বড় ভাইয়ের ছেলে গোলাম হোসেনের (৩৫) বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্ত ঘরের পশ্চিম পাশের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পাশের কক্ষে থাকা তাঁর স্ত্রী চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ফুলছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।