শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের হাতে এক বান্ডিল করে ঢেউটিন, ৫ হাজার টাকা ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া, গঙ্গাচড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছবুর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম, গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং নোহালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী।
গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি চাঁদ সরকার বলেন, যেহেতু গঙ্গাচড়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নই নদী বেষ্টিত। তাই ভাঙন এবং বন্যা আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, তিনি যেন গঙ্গাচড়া উপজেলায় নদী শাসনের বিষয়ে গুরুত্ব দেন এবং ভাঙন প্রতিরোধে জরুরী কার্যক্রম জোড়ালো করতে নির্দেশ দেন।
ইউএনও জেসমিন আক্তার বলেন, তিস্তার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা করে সরকারি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে প্রশাসন রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।
নোহালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তিস্তার ভাঙনে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সময়ের ব্যাপার হলেও, স্থানীয়রা ভাঙনরোধে জরুরী ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।