উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের পাকেরহাট বাজারের ক্রেতা জয়নুল ইসলাম সকালের বাণীকে বলেন, তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালান। বাজারের যে অবস্থা, তাতে শীত যে চলে আসছে, বোঝারই উপায় নেই। এখনো বাজারে শীতের সবজি নেই। উপরন্তু আলুর দাম আরও বেড়েছে।
একই বাজারে গিয়েছিলেন হাচানুর রহমান। তিনি কামলা দিয়ে সংসার চালান। তিনি বলেন, আগে ঘরে তরিতরকারি না থাকলে অন্তত আলুভর্তা করে ভাত খাওয়া যেত। এখন সে উপায়ও নেই। আলুর দামই অনেক বেশি।
একই বাজারে কথা হয় দিনমজুর শাহজালাল,সৈয়দ আলী,শাহিন আলম, আনোয়ারের সঙ্গে তারা সকালের বাণীকে জানায়, বাজারে কোনো কিছুতেই হাত দেওয়ার সাহস হয়না। দাম শুনেই চলে আসতে হয়। শুধু আলুভর্তা করতেও আলু, লবণ, মরিচ ও পেঁয়াজ লাগে। কিন্তু এর কোনোটিই ধরাছোঁয়ার মধ্যে নেই। মানুষ যে আলুভর্তা খেয়ে দিন কাটাবে, সেই উপায়ও নেই।
আলুর মূল্য ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতির কারণে ‘বেশি করে আলু খান ভাতের ওপরে চাপ কমান’ কৌশল এখন আর কাজ করছে না। উল্টো ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে যাওয়ায় গরিবের পাত থেকে সরে যাচ্ছে জনপ্রিয় সবজিটি।