ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী অপর শিক্ষানবিশ আইনজীবীর স্ত্রী নাছরীন নাহার, সাবেক শিক্ষার্থী লোহিন মিয়া, আমিনুর ইসলাম, মারফ মিয়া, রিয়াদ হোসেন ও মিরাতুল ইসলাম প্রমূখ। বক্তারা বলেন, ২০১৪ সালে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক ও সাংবাদিক মোস্তফা কামাল সুমনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানীমুলক মামলা করা হয়েছে। শিক্ষকতার পাশাপাশি সুমন অনলাইন নিউজ পোর্টাল গোবি খবরের সম্পাদক। তিনি বিশুবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষকের পুরষ্কারপ্রাপ্ত একজন সহকারী শিক্ষক। তাদের দাবি, মুলত সামাজিক ভাবে হেয় এবং অনৈতিক ভাবে হয়রানি করতেই সুমনকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। সঠিক তদন্ত করলে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
এসময় বক্তারা দ্রুত হয়রানি মুলক মিথ্যা মামলা থেকে শিক্ষক সুমনের অব্যহতির দাবি করেন। সেই সঙ্গে মিথ্যা মামলা করার পিছনে জড়িতদের চিহ্নিত করার দাবি জানান। এই মামলা প্রত্যাহার না করা হলে আগামীতে কঠোর কর্মসূচির দেয়ার ঘোষণাও দেন বক্তারা। উল্লেখ্য, গত ১৪ নভেম্বর সহকারী শিক্ষক মোস্তফা কালাম সুমন ও গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মুকিতুর রহমান রাফিসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের হয়।
মামলার বাদি তাহারাত তানভীর প্রধান উপজেলা জামায়াতে সাবেক আমীর ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুন নবী প্রধানের ছেলে। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, আসামিদের সাথে তার পিতা নুরুন নবী প্রধানের রাজনৈতিক ভিন্ন মতবাদের কারনে ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মোটরসাইকেলসহ তাকে পথরোধ করে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।